দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় শিশু (৮) ধর্ষণের মামলায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
সোমবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২-এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় দেন। দুই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসময় একই আদালত সদর উপজেলার মাদরাসাছাত্রীকে (১২) অপহরণের দায়ে আরও এক ব্যাক্তিকে ১৪ বছরের জেল, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার ধামইরহাট উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সালাম (৫০) ও সদর উপজেলার চকচাপাই গ্ৰামের আমিনুল ইসলামের ছেলে সুমন হোসেন (২৫)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৫ জুন জেলার ধামইরহাট উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের এক শিশুকে ঈদের দিন দুপুরে রুটি ও সেমাই খাওয়ানোর কথা বলে আসামি তার শয়ন কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই শিশুর বাবা ধামইরহাট থানায় একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২২ সালে ৫ জুলাই মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়ে চলতি বছরের ১৪ জুন ১৩ জনে সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১৩ আগস্ট সদর উপজেলার ডাসনগর মলংশাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসার সামনে থেকে আসামি সুমন জোর করে সিএনজি যোগে মাদরাসার ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর বড় ভাই থানায় মামলা করলে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে তার ভাইয়ের জিম্মায় দিয়ে দেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মকবুল হোসেন বলেন, এই রায়ে মধ্যে দিয়ে বুঝা যায় দেশে এখনো ন্যায়বিচার আছে। আইনের প্রতি মানুষের বিশ্বাস আছে। আগামীতে কেউ এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটানোর আগে চিন্তা-ভাবনা করবেন।
জেবি