দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শুধুমাত্র ক্ষমতা থাকলে তা ব্যবহার করার যে নজির, এটি কখনোই ভালো নজির তৈরি করে না বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি তো কারও গায়ে হাত দেননি, কোনো হামলা বা বলপ্রয়োগও করেননি। কথা কাটাকাটি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরের সমস্যা নিয়ে আখতারুজ্জামানের উদ্বেগকে সরকার ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বিমানবন্দরের পরিবেশ উন্নত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা ঠিক করা এবং তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
শিশির মনিরের দাবি, আখতারুজ্জামান বিদেশে থাকা প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ বাংলাদেশির ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
শুনানিতে মামলার এজাহার ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি তোলেন আসামিপক্ষের এই আইনজীবী। তার ভাষ্য, আইনের ১৯৫ ধারার বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে থানায় এফআইআর করার মাধ্যমে আইনের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হয়েছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে শিশির মনির বলেন, আদালতের সিদ্ধান্ত কার পক্ষে বা বিপক্ষে গেল, সেটি মুখ্য নয়; আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
আখতারুজ্জামানের পক্ষে দ্রুত হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হবে বলেও জানান শিশির মনির।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, উচ্চ আদালতে স্বল্প সময়ের মধ্যে জামিন পাবেন আখতারুজ্জামান।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়।
গত ২ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি আখতারুজ্জামান বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
কে