দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাধারণ মানুষের গণপরিবহন সংকট দূর করতে সরকারি মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস ইজারা বা ভাড়া দেওয়া নিষিদ্ধ করে সেগুলো সাধারণ যাত্রীদের সেবায় নিয়োজিত করার নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এ রিট করেন। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি একই দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন।
রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০’-এর ৫ ও ২২ ধারা অনুযায়ী বিআরটিসির বাস জনস্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহারের জন্য আইনিভাবে নির্ধারিত। কিন্তু বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয়, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে এসব বাস ইজারা বা ভাড়া দেওয়া হচ্ছে বলে রিটে দাবি করা হয়েছে।
রিটে আরও বলা হয়েছে, ‘বিআরটিসি বাস ইজারা নীতিমালা-২০০৭’-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অভিজ্ঞ বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবসায়ীরাই বাস ইজারা নিতে পারেন। একই নীতিমালার ৫(১৭) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাস তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে হস্তান্তর নিষিদ্ধ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস ইজারা দেওয়া এ নীতিমালার লঙ্ঘন বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
জনগণের করের অর্থে কেনা বাস সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সুযোগ না দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ব্যবহারের বিষয়টি সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের আইনের সমান আশ্রয় ও সুরক্ষার অধিকারের পরিপন্থী বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে।
রিটে বিআরটিসির বাস সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ইজারা বা ভাড়া দেওয়ার কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে সরকারি যাতায়াতে ব্যবহৃত বিআরটিসির বাসগুলো প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য নিয়মিত বাণিজ্যিক রুটে পুনর্বহালের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন।
এমএম/