দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টিকটকের মন্তব্যের ঘরে এবার যুক্ত হচ্ছে নতুন কিছু সুবিধা। ব্যবহারকারীদের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অংশগ্রহণ বাড়াতে ভয়েস মন্তব্য, ভোট, একাধিক ছবি এবং লাইভ ছবি দেওয়ার সুবিধা চালু করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
বৃহস্পতিবার এ নতুন সুবিধাগুলো চালুর ঘোষণা দিয়েছে টিকটক।
নতুন সুবিধাগুলোর মধ্যে ভয়েস মন্তব্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। এখন কোনো ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে মাইক্রোফোন আইকনে ট্যাপ করে সর্বোচ্চ এক মিনিটের অডিও বার্তা রেকর্ড করে মন্তব্য করা যাবে। মন্তব্য প্রকাশের পর অন্য ব্যবহারকারীরা সেটিতে ট্যাপ করে অডিওটি শুনতে পারবেন।
টিকটক জানিয়েছে, ভয়েস মন্তব্যও প্ল্যাটফর্মটির অন্যান্য কনটেন্টের মতো একই কমিউনিটি নীতিমালার আওতায় থাকবে। নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট শনাক্ত ও সরাতে মানব পর্যালোচনার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে কথাকে লেখায় রূপান্তরের প্রযুক্তিও রয়েছে।
ভয়েস মন্তব্য সুবিধাটি আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হবে।
এদিকে, নির্মাতারা এখন নিজেদের ভিডিওতে মন্তব্য করার সময় ভোটের ব্যবস্থা যোগ করতে পারবেন। আগে কিছু ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাটি সীমিতভাবে চালু থাকলেও এবার তা বিশ্বজুড়ে উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
পরবর্তী ভিডিওর বিষয় নির্বাচন, পোশাক বাছাই বা কী রান্না করা হবে—এ ধরনের বিষয়ে দর্শকদের মতামত জানতে ভোট ব্যবহার করা যাবে। একটি ভোটে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিকল্প রাখা যাবে এবং ভোট দেওয়ার সময়সীমাও নির্ধারণ করা যাবে। ভোট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্যের ঘর থেকেই ফলাফল দেখা যাবে।
এ ছাড়া একটি মন্তব্যে একাধিক ছবি দেওয়ার সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। আগে একটি মন্তব্যে একবারে একটি ছবি দেওয়া গেলেও এখন সর্বোচ্চ নয়টি ছবি একসঙ্গে যোগ করা যাবে। এই সুবিধা আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে চালু করা হবে।
আর লাইভ ছবি মন্তব্যের সুবিধাও চালু করেছে টিকটক। এর মাধ্যমে স্থির ছবির পাশাপাশি মুহূর্তের সংক্ষিপ্ত নড়াচড়ার দৃশ্য দেখা যাবে। লাইভ ছবি মন্তব্যের সুবিধা ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে চালু হয়েছে।
নতুন এসব সুবিধার মাধ্যমে টিকটক মন্তব্যের ঘরকে শুধু ভিডিও নিয়ে মতামত জানানোর জায়গা না রেখে ব্যবহারকারীদের আরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ ও পারস্পরিক অংশগ্রহণের জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে।
/অ