দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আজকের দিনে মোবাইল ফোন যেন আমাদের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। সকাল থেকেই অনেকের দিন শুরু হয় স্ক্রিনের দিকে চোখ রাখার মধ্য দিয়ে, এবং রাতেও ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ফোন হাতে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা, ভিডিও দেখা কিংবা মেসেজের উত্তর দেওয়া যেন এখন দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তবে গবেষণা প্রমাণ করে, এই অভ্যাস শুধু ঘুমের গুণগত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে।
শোবার আগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘটে যে ক্ষতিগুলো, সেগুলো হলো:
ঘুমের মান কমে: স্ক্রিনের ব্লু লাইট মস্তিষ্কে ঘুম আনার হরমোন মেলাটোনিনের মাত্রা কমিয়ে দেয়।
ঘুম আসতে দেরি হয়: ফোন ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকে, সহজে ঘুম আসে না।
চোখে সমস্যা: অতিরিক্ত আলো চোখ শুকনো করে, চুলকানি ও মাথাব্যথা বাড়ায়।
মানসিক চাপ বৃদ্ধি: সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটলে স্ট্রেস ও উদ্বেগ বেড়ে যায়।
মস্তিষ্কের বিশ্রাম কমে: ফোন ব্যবহার করলে মস্তিষ্ক শান্তি পায় না, ক্লান্তি জমে।
স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে: পর্যাপ্ত ঘুম না হলে পরের দিনের কাজের উপর মনোযোগ হারায়।
দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকি: হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়: যথেষ্ট ঘুম না হলে শরীরের হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না।
ওজন বৃদ্ধি: কম ঘুমের কারণে খিদে নিয়ন্ত্রণের হরমোন বিঘ্নিত হয়।
মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হয়: ফোন আসক্তি, অনিদ্রা ও উদ্বেগ একসঙ্গে ডিপ্রেশন বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ঘুমানোর অন্তত ৩০–৬০ মিনিট আগে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা উচিত। এটি ঘুমের মান উন্নত করবে এবং শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হবে।
জে আই