দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে টিকটক। অনেকেই এখান থেকে বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করে আপলোড করেন। সম্প্রতি টিকটক কনটেন্ট তৈরিকে আরো নিরাপদ ও দায়িত্বশীল করতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পর্কে স্বচ্ছতা এবং সাক্ষরতা নিয়ে নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে।
অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে এআই দিয়ে তৈরি করা কনটেন্ট টিকটকে আপলোড করার সময় সেগুলো এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট (এআইজিসি) হিসেবে লেবেল করা হবে।
মূলত এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো ঠেকানোর লক্ষ্যে এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে টিকটক। এর আওতায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই দিয়ে তৈরি করা কনটেন্ট (এআইজিসি) লেবেলিং করতে টিকটক ব্যবহার করবে ‘টিকটক এআই এফেক্টস’। গত এক বছর ধরে টিকটক প্ল্যাটফর্মের লেবেলিং টুলসগুলো ৩৭ মিলিয়নেরও বেশি ক্রিয়েটররা ব্যবহার করে আসছে।
এছাড়া টিকটকের সব ধরনের কনটেন্টের জন্য খুব শিগগিরই কনটেন্ট ক্রেডেনশিয়াল প্রযুক্তিটি চালু করা হবে। ফলে কোনো কনটেন্ট ডাউনলোড করার পরেও এর সঙ্গে মেটাডাটা সংযুক্ত থাকবে। এই ফিচার টিকটক ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলোর কনটেন্টের সত্যতা যাচাই করতে সহায়ক হবে।
টিকটক মিডিয়া সাক্ষরতা বাড়ানোর লক্ষ্যে, মিডিয়াওয়াইজ ও উইটনেসের সঙ্গে পার্টনারশিপের মধ্য দিয়ে একাধিক শিক্ষামূলক প্রচারণা শুরু করছে। টিকটক এর সঙ্গে মিডিয়া লিটারেসি বা সাক্ষরতা বাড়াতে যৌথভাবে সারা বছর ধরে মোট ১২টি ভিডিও প্রকাশ করবে। এই উদ্যোগগুলো ব্যবহারকারীদের অনলাইন তথ্য আরও ভালোভাবে যাচাই করতে সাহায্য করবে। তারা একইসঙ্গে প্রকৃত ও এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের পার্থক্যও বুঝতে পারবে।
অ্যাডোবির জেনারেল কাউন্সেল এবং চিফ ট্রাস্ট অফিসার ডানা রাও বলেন, বিশ্বজুড়ে টিকটকের ক্রিয়েটর এবং ইউজারের পুরো কমিউনিটির জন্য সিটুপিএ এবং সিএআইয়ের উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। এতে ইউজাররা তাদের প্ল্যাটফর্মে আরও স্বচ্ছতা এবং সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবে যা আজকের এই ডিজিটাল যুগে অত্যন্ত জরুরি। আর আমাদের এই পার্টনারশিপ সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে।
মিডিয়াওয়াইজের পরিচালক অ্যালেক্স মহাদেবন বলেন, ২০১৯ সালে আমাদের টিন ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক টিকটকে চালু হয় এবং তখন থেকেই দর্শকদের সম্পৃক্ততা ছিল উল্লেখযোগ্য। এই নতুন উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ফিকশন থেকে বাস্তব কনটেন্টগুলো আলাদা করার জন্য অনলাইনে আরও বেশি মানুষকে আমরা যুক্ত করতে চাই।
এস