দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় অ্যামাজনের একটি পণ্যবাহী (কার্গো) বিমান ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এতে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার কিছু আগে বোয়িং ৭৬৭-৩০০ মডেলের এই কার্গো বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটি পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান শহরের লুইস মুনোজ মারিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মিয়ামির উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।
মিয়ামি-ডেড ফায়ার চিফ রে জাদাল্লাহ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ইস্টার্ন ডেলাইটিং সময় দুপুর ২টার অল্প আগে প্রাইম এয়ারের ‘৭৫৯৮’ নম্বর ফ্লাইটটি রানওয়ে অতিক্রম করে মাটিতে থাকা একাধিক যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার পর দুটিতে আটকে পড়া ব্যক্তি এবং বিমানের ভেতর আটকে থাকা পাইলট ও কো-পাইলটকে উদ্ধারে ৬০টির বেশি উদ্ধারকারী ইউনিট এবং ২০০ জন কর্মী কাজ শুরু করেন। এভিয়েশন ট্র্যাকিং সার্ভিস ফ্লাইটরাডার২৪ জানায় যে বিমানটি পুয়ের্তো রিকোর সান জুয়ান থেকে এসেছিল এবং এটি যখন রানওয়ে অতিক্রম করে তখন এর গতি ছিল ১১২ নট বা ঘণ্টায় ২০৭ কিলোমিটার।
প্লেনটি ছিল ৩২ বছর পুরনো একটি বোয়িং ৭৬৭-৩০০ ফ্রেটার যা ‘২১ এয়ার’ নামের একটি কার্গো এয়ারলাইন অ্যামাজনের পক্ষ থেকে পরিচালনা করছিল। অ্যামাজনের মুখপাত্র কেলি ন্যান্টেল এবং ২১ এয়ার কর্তৃপক্ষ শোক প্রকাশ করে স্থানীয় প্রশাসন ও তদন্তকারীদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) সভাপতি জেনিফার হোমেনডির নেতৃত্বে একটি তদন্তকারী দল গঠন করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং ২১ এয়ার উভয়ই এই সরকারি তদন্তে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।
এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেক্সাসের ট্রিনিটি বে-তে অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের একটি একই মডেলের বোয়িং ৭৬৭-৩০০ বিমান ভেঙে পড়ে চালকদলের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
কেএম