দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন নেতৃত্ব নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েও নিজ দলের আস্থা ভোটে টিকে গেছেন। আগামী নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন তিনি।
তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা বৈঠক শেষে লাক্সন বলেন, ন্যাশনাল পার্টির আইনপ্রণেতাদের পূর্ণ সমর্থন তার রয়েছে। দল ঐক্যবদ্ধ এবং আসন্ন নির্বাচনে জয় পাওয়ার লক্ষ্যেই তারা এগিয়ে যাচ্ছে।
চার মাসের মধ্যে এটি লাক্সনের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যালেঞ্জ। দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রধানমন্ত্রীর কয়েকটি বিতর্কিত মন্তব্য ও সিদ্ধান্তের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে তার জনপ্রিয়তা কমেছে।
গত সপ্তাহে সরাসরি রেডিও অনুষ্ঠানে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন লাক্সন। দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে আগে আলোচনা না করেই এমন মন্তব্য করায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন।
এর আগে চলতি মাসে ছোট ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যেও সমালোচিত হন ৫৬ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী। ব্যবসায়ীদের সরকারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার অভিযোগ তুলে তাদের ‘প্রাপ্তবয়স্কের মতো আচরণ’ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। পরে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চান লাক্সন এবং স্বীকার করেন, অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কঠিন সময় পার করছে।
সাবেক এয়ার নিউজিল্যান্ড প্রধান লাক্সন ২০২৩ সালের নির্বাচনে মধ্য-ডানপন্থী ন্যাশনাল পার্টিকে জয়ী করে প্রধানমন্ত্রী হন। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও কর হ্রাসের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।
তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে তার দলের সমর্থন কমেছে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়ার পাশাপাশি বেকারত্বের হার বেড়ে ১১ বছরের সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে।
বুধবার প্রকাশিত ১নিউজ-ভেরিয়ান জরিপে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লাক্সনের পছন্দনীয়তার হার কমে ১৭ শতাংশে নেমেছে, যা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে সর্বনিম্ন। তবে জরিপে থাকা অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে এখনো এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
আগামী ৭ নভেম্বর নিউজিল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/