দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইউক্রেন থেকে পালিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা জুনের শেষে ৪৪ লাখ ১০ হাজারে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান দপ্তর জানায়, মে মাসের শেষের তুলনায় জুনে অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা ২৪ হাজার ৩৮০ জন বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা ইউক্রেনীয়দের সবচেয়ে বেশি আশ্রয় দিয়েছে জার্মানি। দেশটিতে এ ধরনের মানুষের সংখ্যা ১২ লাখ ৮০ হাজার, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট সংখ্যার ২৯ দশমিক ২ শতাংশ। এরপর রয়েছে পোল্যান্ড ও চেকিয়া। দেশ দুটিতে যথাক্রমে ৯ লাখ ৬১ হাজার ১৭০ এবং ৩ লাখ ৯০ হাজার ৮১০ জন অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় রয়েছেন। মোট সংখ্যার হিসাবে এ হার যথাক্রমে ২১ দশমিক ৮ ও ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের মধ্যে ২৪টিতেই অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইতালিতে—৪ হাজার ১১৫ জন। এরপর চেকিয়ায় ৩ হাজার ৮৩৫ এবং জার্মানিতে ২ হাজার ৯৬০ জন নতুন করে এই সুরক্ষা পেয়েছেন।
অন্যদিকে পোল্যান্ডে অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা ৬ হাজার ৩৩৫ জন কমেছে। বেলজিয়ামে কমেছে ৩৫ এবং আয়ারল্যান্ডে ১৫ জন।
জনসংখ্যার অনুপাতে অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চেকিয়ায়। প্রতি ১ হাজার মানুষের বিপরীতে সেখানে ৩৫ দশমিক ৮ জন এই সুরক্ষার আওতায় রয়েছেন। স্লোভাকিয়ায় এ হার ২৭ দশমিক ২ এবং সাইপ্রাসে ২৬ দশমিক ৮। ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় হার ৯ দশমিক ৮।
জুনের শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অস্থায়ী সুরক্ষার আওতায় থাকা মানুষের ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি ছিলেন ইউক্রেনের নাগরিক।
এই সুরক্ষার আওতায় থাকা মোট মানুষের ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারী, ২৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং ২৯ দশমিক ৬ শতাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক।
২০২২ সালের মার্চে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের ব্যাপক প্রবাহকে স্বীকৃতি দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিষদ অস্থায়ী সুরক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২০২৫ সালের জুনে ইউরোপীয় পরিষদ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের জন্য এই সুরক্ষার মেয়াদ ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
/অ