দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতির আওতায় প্রায় পৌনে ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে আরও হাজারো বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও অভিবাসনের বিভিন্ন সুবিধা হারিয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত এক নথিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর দেশটিতে কঠোর অভিবাসন অভিযান শুরু হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ভিসা বাতিলের কারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, জালিয়াতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত কর্মকাণ্ডের কারণেও ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে ধর্ষণ, অপহরণ ও মানবপাচারের মতো গুরুতর অপরাধের কয়েকটি মামলারও উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নথিতে বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি মার্কিন দূতাবাস ১০০টির বেশি ভিসা বাতিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশটিতে যাওয়া ব্যক্তিদেরও এর আওতায় নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কনজারভেটিভ অ্যাক্টিভিস্ট চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লাস প্রকাশকারী কয়েকজন বিদেশির বিরুদ্ধেও ভিসা বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি বিশেষ সুবিধা। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে নতুন করে ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম আরও নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এ কঠোর অভিবাসননীতির সমালোচনা করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নজরদারি বাড়ানোর ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সুত্র-আল জাজিরা
এমএম/