দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিতর্কিত ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিলের পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ তহবিল নিয়ে রিপাবলিকান দলের ভেতরেই বিরোধের কারণে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চকে স্থায়ীভাবে নিয়োগের প্রক্রিয়া সিনেটে আটকে রয়েছে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘টড ব্ল্যাঞ্চ একজন ভালো মানুষ। তাকে অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে অনুমোদন দেওয়া উচিত।’
একই পোস্টে তিনি বিতর্কিত তহবিলের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, সরকারের অপব্যবহারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত, কারণ তাদের জীবন অন্যায়ভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
রিপাবলিকান সিনেটর জন করনিন ও থম টিলিস ব্ল্যাঞ্চের নিয়োগ অনুমোদন আটকে রেখেছেন। তাদের দাবি, বিচার বিভাগ লিখিতভাবে নিশ্চয়তা দিক যে ১৮০ কোটি ডলারের ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে না।
ট্রাম্পবিরোধীরা এ তহবিলকে করদাতাদের অর্থে তার সমর্থকদের পুরস্কৃত করার একটি বিতর্কিত উদ্যোগ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তবে বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার ব্ল্যাঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর সমঝোতার কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। তিনি রিপাবলিকান সিনেটর জন কার্টিসের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলেও ব্ল্যাঞ্চ কার্যত ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যেতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে সিনেটে মনোনয়ন বিচারাধীন থাকলে এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান বা প্রত্যাহার না হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকতে পারেন।
বিতর্কিত তহবিলটি ট্রাম্প ও বিচার বিভাগের মধ্যে একটি আইনি সমঝোতার অংশ হিসেবে প্রস্তাব করা হয়। অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগ (আইআরএস) তার করসংক্রান্ত নথি অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ট্রাম্প ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা করেছিলেন। সেই মামলার নিষ্পত্তির অংশ হিসেবেই তহবিলের প্রস্তাব আসে। তবে কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের বিরোধিতার কারণে এটি স্থগিত রয়েছে।
সমালোচকদের আশঙ্কা, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রাম্প-সমর্থকদের মধ্যে কেউ কেউ এ তহবিল থেকে সুবিধা পেতে পারেন। এছাড়া ট্রাম্প ও তার সহযোগীদের কর নিরীক্ষা সীমিত করার আইআরএস-সংক্রান্ত একটি সমঝোতাতেও আপত্তি জানিয়েছেন করনিন ও টিলিস।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই তহবিল থেকে তিনি নিজে কোনো সুবিধা নেবেন না। তার ভাষায়, এটি শুধু সেই ‘দেশপ্রেমিক’ আমেরিকানদের জন্য, যারা অন্যায়ভাবে সরকারি হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এমএস/