দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের আকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্বে একক প্রধান সামরিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে সামনে এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন এক বিশ্লেষক।
আরব পারস্পেকটিভস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জেইদন আলকিনানি বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সামরিক হামলার পর কোনো কাঠামোগত সমঝোতা টেকসই হবে এবং টিকে থাকবে—এমনটা কল্পনা করা কঠিন।’
তিনি বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসে পরিস্থিতিতে কিছুটা শান্ত ভাব দেখা গেলেও সামরিক তৎপরতাগুলো অনেক সময় বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যাতে নতুন করে আলোচনা বা সমঝোতার পথ তৈরি করা যায়।
আলকিনানি বলেন, ইরান এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে প্রধান সামরিক শক্তি হিসেবে নিজের মর্যাদা ও অবস্থান রক্ষা করতে চাইছে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে ইরান এখন কিছুটা আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে চাইছে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নিজেদের আক্রমণাত্মক সক্ষমতার ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাইছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে নানা ভুল বোঝাবুঝি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন ধারণাও এর পেছনে কাজ করছে।’
বিশ্লেষকের মতে, চলমান উত্তেজনা শুধু দুই দেশের সামরিক সক্ষমতার বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ