দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি। বৈঠকে ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, ভবিষ্যৎ করণীয় এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গ্রোসি বলেন, বর্তমান সংকটময় সময়ে কূটনীতিকে সফল হওয়ার সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং সামনের পথ নিয়ে সুইস পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
এদিকে রোববার সকালে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, আলোচনায় তার প্রধান লক্ষ্য হবে ভবিষ্যৎ সংলাপের কাঠামো নির্ধারণ, পরমাণু ইস্যুতে অগ্রগতি অর্জন এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা। তিনি জানান, সুইজারল্যান্ডে তিনি মাত্র এক বা দুই দিন অবস্থান করবেন, তবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করছেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক কাঠামোগত চুক্তিতে তেহরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো পরমাণু অস্ত্র সংগ্রহ বা উন্নয়ন করবে না। তবে ইরানের সমৃদ্ধকৃত পরমাণু উপাদানের মজুত কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং ওই আলোচনাতেই সমৃদ্ধকৃত পরমাণু উপাদানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পরমাণু উপাদানের মজুত দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার অন্যতম বড় অচলাবস্থার কারণ। ফলে সুইজারল্যান্ডে শুরু হওয়া নতুন দফার আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ