দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে প্রতিনিধি পরিষদে নির্ধারিত ভোট হঠাৎ বাতিল করেছে রিপাবলিকান নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার ভোটাভুটির ঠিক আগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যখন অনুপস্থিত সদস্যদের কারণে রিপাবলিকানরা ভোটে হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় ছিল।
ডেমোক্র্যাটরা দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ প্রচেষ্টায় কিছু রিপাবলিকান সদস্যের সমর্থনও বাড়তে শুরু করে।
নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট সদস্য ও প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট গ্রেগরি মিকস এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
ভোট বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস, হুইপ ক্যাথরিন ক্লার্ক ও ককাস চেয়ারম্যান পিট আগুইলার যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত সহযোগী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।’
তারা আরও বলেন, ‘রিপাবলিকানরা কাপুরুষের মতো যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত ভোট বাতিল করেছে। দ্বিদলীয় সমর্থনে পাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকা এ প্রস্তাব প্রেসিডেন্টকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে বাধ্য করত।’
গ্রেগরি মিকসও এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেমোরিয়াল ডে’র আগমুহূর্তে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়ছে। প্রেসিডেন্টের বেছে নেওয়া যুদ্ধের কারণে আনা এ প্রস্তাব সহজেই পাস হতো, তা তারা জানত। তাই রাজনৈতিক খেলা খেলছে এবং ভোট পিছিয়ে দিয়েছে।’
মিকস জানান, মেমোরিয়াল ডে ছুটির পর জুনের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদে আবারও এ ভোট হতে পারে।
এর আগে সিনেটেও কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করার অনুরূপ একটি প্রস্তাব অগ্রসর হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান জনগণের কাছে জনপ্রিয়। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছে এটি অজনপ্রিয়। কিন্তু যখন মানুষ শুনছে এটি পারমাণবিক অস্ত্র ঠেকানোর জন্য, তখন তারা সমর্থন করছে।’
তবে সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ট্রাম্পের নীতির কারণে তাদের এলাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এর মধ্যে রিপাবলিকান সমর্থকরাও রয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/