দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত চলাকালে ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে অবস্থিত এসব স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। এতে কিছু স্থাপনা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর সংখ্যা ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বড় একটি অংশজুড়ে। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন—কোথাও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম হয়েছে, আবার কোথাও কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় মেরামতের সুযোগ রয়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং মোতায়েনকৃত বিমান। এসব সরঞ্জাম ব্যয়বহুল হওয়ায় দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা হিসাব করে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও সীমিত সম্পদগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাডার সিস্টেম আমাদের অন্যতম ব্যয়বহুল সম্পদ।’
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট তৃতীয় আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর মেরামতেই প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে।
আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী কুয়েতের আলি আল সেলিম বিমান ঘাঁটি, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটির একটি রানওয়ে এবং উত্তর ইরাকের একটি সামরিক ঘাঁটির অস্ত্রভান্ডারেও হামলা চালিয়েছে।
এমএস/