দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সুরক্ষা দিতে সেখানে ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনা মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোনো দেশে প্রথমবারের মতো আয়রন ডোম মোতায়েন করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে আমিরাতের অনুরোধে এ পদক্ষেপ নেয় তেল আবিব। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
এক্সিওস জানায়, মোতায়েন করা আয়রন ডোম ইরানের ছোড়া ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে ভূপাতিত করে। ব্যবস্থা পরিচালনায় ইসরায়েলি সেনাও আমিরাতে পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালে আমিরাতের ওপর শত শত ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারো ড্রোন হামলা হয়। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ে।
২০২০ সালের ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর পর ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে অভিন্ন নিরাপত্তা উদ্বেগ দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও বাড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল ও আমিরাত সামরিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় জোরদার করে। এমনকি দক্ষিণ ইরানে অভিযান চালিয়েও হুমকি মোকাবিলার চেষ্টা করা হয়।
তবে ইসরায়েলের বাইরে আয়রন ডোম পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেশটির ভেতরেও বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমিরাতে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সংবেদনশীল ইস্যু বলেও বলা হয়।
এমএস/