দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি করানোর প্রচেষ্টা বর্তমানে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইসলামাবাদে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে অনিচ্ছুক এবং যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো গ্রহণযোগ্য মনে করে না।
‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, তুরস্ক ও মিশর কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে কাতার বা ইস্তাম্বুলে বিকল্প আলোচনা স্থান খুঁজছে। তবে কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে অনীহা প্রকাশ করায় শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ ষষ্ঠ সপ্তাহে পা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। এরপর মার্কিন বাহিনী একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও দ্বিতীয় বৈমানিকের খোঁজে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা চলমান সংঘাতের আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে ইসরাইল জানিয়েছে, তারা ইরানের সঙ্গে আরও দুই সপ্তাহ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালী সহজে ছাড়বে না। বিশ্লেষকরা মনে করেন, তেহরান প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে বৈশ্বিক তেল বাজারে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। মার্কিন বাহিনী যদি দক্ষিণ ইরানের উপকূল ও দ্বীপগুলো দখলও করে, তবুও ইরান ড্রোন ও মিসাইলের মাধ্যমে এই জলপথে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও বলছেন, কেবল কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দিয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পুনরায় খোলা সম্ভব, সামরিক অভিযান নয়। সামরিক ও কূটনৈতিক চাপে থাকা আঞ্চলিক দেশগুলোই মধ্যস্থতার উদ্যোগে এগিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু যুদ্ধবিরতির পথ এখনো অনিশ্চিত।
এমএস/