দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের আকাশসীমায় ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে শুক্রবার রাতে দেশটিতে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান তাদের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। যুদ্ধ শুরুর পর শত্রুপক্ষের গুলিতে এটি প্রথম কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ঘটনা। বিমানের দুই ক্রু সদস্য ইজেক্ট করেন, এরপর তাদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
মার্কিন বাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড্ডয়ন করা রিফুয়েলিং বিমান নিয়ে এক অভিযানে একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় হেলিকপ্টারগুলো ইরানি বাহিনীর গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি হেলিকপ্টার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও সেটি নিরাপদে ইরাকে ফিরে অবতরণ করে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
অপর ক্রু সদস্যের অবস্থান এখনও অজানা। ইরানি গণমাধ্যমে তাকে খুঁজতে স্থানীয় মিলিশিয়াদের তল্লাশি চালানোর দৃশ্য প্রচার করা হয়েছে এবং তাকে ধরিয়ে দিতে অর্থ পুরস্কার ঘোষণার কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার রাতে হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি মার্কিন এ-১০ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই বিমানের পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, নিখোঁজ পাইলটের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না এবং তিনি আশা করেন পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে না।
ঘটনাটি এমন সময় ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই দিনে তেহরানের উত্তরে শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার খবর জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
অন্যদিকে, ইরান এসব হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সূত্র: দ্যা টেলিগ্রাফ
এমএস/