দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিরাপত্তা দায়িত্বে শিশুদের যুক্ত করার হচ্ছে। তেহরানে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে দায়িত্ব পালন করার সময় বিমান হামলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
নিহত শিশুর নাম আলিরেজা জাফারি। তার মা সাদাফ মনফারেদ পৌর পরিচালিত হামশাহরি পত্রিকাকে জানান, গত ১১ মার্চ তার স্বামী ও ছেলে তেহরানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বাসিজ স্বেচ্ছাসেবী মিলিশিয়ার টহল ও চৌকিতে সহায়তা করছিলেন। ওই সময় হামলায় তারা নিহত হন।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের এক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে ফার্স নিউজ এজেন্সিকে জানান, সংস্থাটি ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী ‘স্বেচ্ছাসেবক’দের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।
চাক্ষুষ সাক্ষীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে তারা শিশুদের নিরাপত্তা দায়িত্বে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রসহ অবস্থান করতে দেখেছেন। বিদেশভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও আলিরেজার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। কুর্দি সংগঠন হেঙ্গাও জানিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী তেহরানের একটি চৌকিতে অবস্থান করার সময় নিহত হয়।
শিশুটির মা জানান, চৌকিতে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় তার স্বামী আলিরেজাকে সঙ্গে নিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, সামনে কী আসছে সে জন্য তাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি ছেলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘মা, হয় আমরা এই যুদ্ধে জিতব, নয়তো শহীদ হব।’
হামশাহরি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চৌকিটি একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
সূত্র: বিবিসি
এমএস?