দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ১ হাজার ৯০০-এরও বেশি মিসাইল ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। মূলত আমিরাতের পরিবহন এবং তেল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইরান।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার ফুজাইরাহ তেল শিল্পাঞ্চলে ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার আমিরাতের মিডিয়া অফিস কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (১৬ মার্চ) এমন একটি হামলার পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুন লেগে গেলে সাময়িকভাবে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়। খবর বিবিসি
উল্লেখ্য, এই বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণের অন্যতম ব্যস্ততম কেন্দ্র। এছাড়া, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফুজাইরাহ বন্দরেও একটি ড্রোন হামলার ফলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে; এই বন্দরটি ওই অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম তেল মজুত কেন্দ্র।
আবুধাবি মিডিয়া অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি গাড়িতে রকেট হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করার পর থেকে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর একাধিকবার আক্রান্ত হয়েছে, যার ফলে ফ্লাইটে ব্যাপক বিলম্ব এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলা চালানো হয়েছিল।
বিবিসি সংবাদদাতা আযাদেহ মোশিরি সোমবার ‘বিবিসি গ্লোবাল নিউজ পডকাস্ট’-এ বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত মনে করছে যে তাদের ‘অন্যায়ভাবে এই যুদ্ধের ভেতরে টেনে আনা হয়েছে’।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান হয়তো ভাবছে যে এ ধরনের চাপের মুখে আমিরাতের নেতারা যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগ করবেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখানকার কর্মকর্তারা এখন প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।’
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে একটি নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে যে দীর্ঘ সময় লেগেছে এবং বর্তমানে দেশটি যেভাবে একের পর এক আঘাত সহ্য করছে, তাতে সাধারণ মানুষ এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত বলে জানান মোশিরি।