দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের ক্রমবর্ধমান আশঙ্কার মধ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ইসরায়েলে অবস্থানরত জরুরি সেবার বাইরের সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগের অনুমতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
যেসব দূতাবাস কর্মী ইসরায়েল ছাড়তে চান, তারা যেন আজই দেশটি ত্যাগ করেন— সে বিষয়ে ইমেইল বার্তা দিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এই তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স
এই ‘অনুমোদিত’ দূতাবাস ছাড়ার পেছনে থাকা সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি দূতাবাস।
এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তারা চলে যাবেন কি না। তবে চলতি সপ্তাহে বৈরুতের মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীদের জন্য যে বাধ্যতামূলক যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এটি তার চেয়ে কিছুটা শিথিল।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি দূতাবাসের কর্মীদের একটি ইমেইল পাঠিয়েছেন।
সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘যারা চলে যেতে ইচ্ছুক তাদের আজই (শুক্রবার) তা করা উচিত।’
পত্রিকাটির দাবি অনুযায়ী হাকাবি লিখেছেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে যারা চলে যেতে চান, তাদের জন্য বিলম্ব না করে দ্রুত যাওয়ার পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে সংবাদপত্রের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি দূতাবাস।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সাথে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বৃহস্পতিবার আলোচনার সর্বশেষ ধাপ কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে।
ইরান হুমকি দিয়েছে যে, তারা আক্রান্ত হলে ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে। পরিস্থিতির অবনতি হলে ইসরায়েলও এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। উল্লেখ্য, গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের একটি বোমা হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল, যেখানে পরবর্তীতে ওয়াশিংটনও যোগ দেয়।
ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের কূটনৈতিক কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গ ও অনাবশ্যক কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে অথবা নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে।