দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) কোলটান খনিতে ধসের ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার (৩৭ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত রুবায়া কোলটান খনিতে এ ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসি
সূত্র জানায়, বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা খনিটি দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছিল না।
উত্তর কিভু অঞ্চলের বিদ্রোহী গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুয়িসা সাংবাদিকদের জানান, রুবায়া শহরের ওই খনিটি বুধবার ভারী বৃষ্টির কারণে ধসে পড়ে। সে সময় নিহতের সঠিক সংখ্যা স্পষ্ট ছিল না।
ঘটনার সময় নারী ও শিশুরাও সেখানে কোলটান খননে যুক্ত ছিলেন। কলাম্বাইট ও ট্যান্টালাইট খনিজের সংমিশ্রণে গঠিত কোলটান এমন একটি খনিজ, যা স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
খনিটির এক সাবেক তত্ত্বাবধায়ক বিবিসিকে জানান, সাইটটি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছিল না, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছিল এবং দুর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছিল।
তিনি আরও বলেন, মাটির নাজুক গঠন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
ধসে পড়ার ঘটনায় নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং কারিগরি খনি শ্রমিকরা রয়েছেন। প্রায় ২০ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।
রুবায়া উত্তর কিভুর সেই সব শহরের একটি, যেগুলো এম২৩ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই গোষ্ঠীটি প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডার সমর্থন পায়।
রুবায়ার খনিগুলোতে বিশ্বের মোট কোলটান সরবরাহের প্রায় ১৫% এবং ডিআর কঙ্গোর মোট মজুদের প্রায় অর্ধেক রয়েছে।
২০২৪ সাল থেকে এম২৩ বিদ্রোহীরা এসব খনির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাতিসংঘ এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, তারা নিজেদের স্বার্থে খনি খাত থেকে কর আদায় করছে।
এবি/