দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চীনে ব্যক্তিগত সফরে গিয়ে কর্মস্থলের ফোন হারিয়েছেন জাপানের পারমাণবিক নিরাপত্তা সংস্থার এক কর্মী। ফোনটিতে নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি-এর পারমাণবিক নিরাপত্তা–সংক্রান্ত কাজে যুক্ত কর্মীদের গোপন যোগাযোগের তথ্য ছিল।
জাপানি গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথ্য ফাঁস হয়েছে কি না—তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংস্থাটি।
এই ঘটনা এমন এক সময় সামনে এলো, যখন জাপান এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্থগিত থাকা পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে।
২০১১ সালে মাত্রা ৯-এর ভূমিকম্প ও ভয়াবহ সুনামির ফলে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর পারমাণবিক নিরাপত্তা তদারকির জন্য নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি গঠন করা হয়, যার মধ্যে দেশের রিঅ্যাক্টর পুনরায় চালু করার তদারকিও রয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ওই কর্মী গত ৩ নভেম্বর ব্যক্তিগত সফরে সাংহাই যাওয়ার সময় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশির সময় তার কর্মস্থলের ফোনটি হারান। তিন দিন পর তিনি ফোনটি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং বিমানবন্দরে খোঁজ নেওয়া সত্ত্বেও সেটি উদ্ধার করতে পারেননি।
দেশটির সংবাদমাধ্যম আসাহি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি নির্দিষ্ট কিছু কর্মীকে স্মার্টফোন দিয়ে থাকে।
কিয়োদো নিউজের মতে, সংশ্লিষ্ট নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি বিভাগটি দেশের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে চুরি ও সন্ত্রাসবাদের মতো হুমকি থেকে পারমাণবিক উপকরণ সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি ঘটনাটি দেশের পার্সোনাল ইনফরমেশন প্রোটেকশন কমিশনে জানিয়েছে এবং কর্মীদের বিদেশ সফরে কর্মস্থলের ফোন না নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছে।
এটি প্রথমবার নয় যে নিরাপত্তাজনিত ত্রুটির কারণে জাপানের পারমাণবিক কর্মকর্তারা শিরোনামে এলেন। ২০২৩ সালে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক স্থাপনা কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক কর্মী গাড়ির ছাদের ওপর নথির একটি স্তূপ রেখে গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়ায় সেগুলো হারিয়ে ফেলেন।
গত নভেম্বর মাসে কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া কেন্দ্রের আরেক কর্মীর বিরুদ্ধে গোপন নথির কপি করে সেগুলো একটি ডেস্কে তালাবদ্ধ করে রাখার মাধ্যমে তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।
এবি/