দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডলারের শক্ত অবস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রের আগামী মাসে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার টানা চতুর্থ দিনের মতো স্বর্ণের দামে পতন ঘটেছে। সূত্র: রয়টার্স।
মার্কেট পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১০ ডলারে। ডিসেম্বরে সরবরাহযোগ্য মার্কিন ফিউচার্সের দামও ১.৬ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯.২০ ডলারে নেমে আসে।
মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, ডলার আজ কিছুটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে জল্পনামূলক কেনাকাটাও কমে গেছে। ফলে স্বর্ণবাজার আপাতত স্থিতিশীলতার চেষ্টা করছে।
পূর্বের সেশনে হঠাৎ উল্লম্ফনের পর ডলার সূচক আবার স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘতম সরকারি শাটডাউন অবসানের চুক্তি হয়। শাটডাউনের সময় সরকারি অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর ব্যাপারে ফেডের সম্ভাবনা আরও কমে যায়।
ফেডের ভাইস চেয়ারম্যান ফিলিপ জেফারসন সোমবার বলেন, সুদের হার কমানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ‘ধীরে অগ্রসর’ হতে হবে। এতে আগামী মাসে হার কমানোর প্রত্যাশা আরও দুর্বল হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার কম থাকলে স্বর্ণ সাধারণত ভালো করে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে।
এই সপ্তাহে বাজারের দৃষ্টি থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের দিকে—বিশেষ করে আসন্ন বৃহস্পতিবারের সেপ্টেম্বর নন-ফার্ম পেরোল রিপোর্টে।
এএনজেড ব্যাংকের এক নোটে বলা হয়েছে, আগামী মাসে ফেড সুদের হার কমাবে—এমন প্রত্যাশা রাতারাতি ৪২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্তের পর প্রায় ১০০ শতাংশে ছিল। এতে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেছে।
তবে তারা আরও জানায়, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ টেকসই হওয়া নিয়ে উদ্বেগ, ডি-ডলারাইজেশন ধারা ও বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ কেনার প্রবণতা—এসব কারণ মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণবাজারকে সহায়তা করবে।
অন্যদিকে, স্পট সিলভারের দাম ১.২ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪৯.৫৮ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫১৭.৭৩ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ১.৫ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩৭২.০৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
আরএ