দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে সিরিয়া ইসরায়েলের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তির আলোচনায় গতি এনেছে। এই চুক্তি পূর্ণ শান্তিচুক্তি হবে না, তবে সম্প্রতি ইসরায়েল যে সিরিয়ার কিছু এলাকা দখল করেছে তা ফেরত পাওয়ার আশা করছে দামেস্ক।
চারটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র চাইছে এই মাসের শেষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে কিছু অগ্রগতি হোক, যাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন।
সূত্রগুলো বলছে, চুক্তি হলে ইসরায়েলি সেনাদের নতুন দখলকৃত এলাকা থেকে প্রত্যাহার, ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতির সময় নির্ধারিত নিরস্ত্রীকরণ অঞ্চল পুনর্বহাল, এবং সিরিয়ায় বিমান ও স্থল হামলা বন্ধের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে গোলান মালভূমির ইস্যু আলোচনা হয়নি। ইস্যুটি ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েল ও সিরিয়া ১৯৪৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, যদিও মাঝে মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বিদ্রোহীদের হাতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইসরায়েল নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি ভেঙে দামেস্ক থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত অগ্রসর হয়।
আলোচনায় ইসরায়েল খুব একটা ছাড় দিচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র বলেন, ‘এটি ট্রাম্পের জন্য ব্যক্তিগত বিষয়। তিনি এটি নিজের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চান।’
তবে ইসরায়েলি নেতাদের দপ্তর কোনো মন্তব্য করেনি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ওয়াশিংটন এমন যেকোনো প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যা ইসরায়েল, সিরিয়া এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বয়ে আনবে।
এদিকে ইসরায়েল বারবার দাবি করছে, সিরিয়ার বর্তমান ইসলামপন্থি নেতৃত্ব দেশটিকে দুর্বল করে রেখেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে আব্রাহাম চুক্তির ধারা ধরে আরও দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে সমঝোতায় আনতে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/