দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতিসংঘের এক তদন্ত কমিশন বলেছে, ফিলিস্তিনিদের ওপর গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে।
সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনে গণহত্যার যে পাঁচটি ধারা রয়েছে তার চারটিই ইসরায়েলি বাহিনী বাস্তবায়ন করেছে। বেসামরিক নাগরিক হত্যা, গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা, জীবনধারণের
উপযুক্ত অবস্থা ধ্বংস করা এবং জন্ম প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া।
প্রতিবেদনে ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্য ও সেনাদের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যার উদ্দেশ্য প্রমাণের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিপোর্টটিকে ‘বিকৃত ও মিথ্যা’ দাবি করে একে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা কমিশনের তিন সদস্যকে ‘হামাসের পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিযোগ করেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণে ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত ও ২৫১ জন জিম্মা হয়। এরপর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এখন
পর্যন্ত সেখানে অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরবাড়ি, স্বাস্থ্যসেবা ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে পড়েছে।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের গঠিত এই কমিশনের নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই। তিনি জানান, ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে, গাজায় গণহত্যা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করছে তাদের অভিযান ছিল কেবল আত্মরক্ষার জন্য এবং তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করেছে।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক আদালতেও (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা চলছে, যা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে ইসরায়েল একে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/