দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা সিটি এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) একদিনেই শুধু এই শহরে অন্তত ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। পুরো গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৬২ জন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বিচারে বোমাবর্ষণে ধসে পড়েছে বহু আবাসিক ভবন। ধ্বংস হয়েছে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলভিত্তিক আশ্রয়কেন্দ্রও। এতে অন্তত ৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, ‘অবরোধ আর লাগাতার হামলার মধ্যে গাজা সিটির মানুষ অমানবিক পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাজা সিটিকে দখল করার লক্ষ্যেই ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালাচ্ছে। সেনারা লিফলেট ছড়িয়ে মানুষকে সরে যেতে বললেও প্রতি ১০-১৫ মিনিট অন্তর বোমা ফেলায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগও মিলছে না।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আশ্রিত পরিবারগুলোর ওপর ইসরায়েল ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ জড়ো হয়েছেন। তবে দক্ষিণের শরণার্থী ক্যাম্পগুলো ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত ভিড়ে অমানবিক অবস্থায় আছে এবং সেগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
আল-শিফা হাসপাতালের প্রধান ডা. মুহাম্মদ আবু সালমিয়া বলেন, ‘মানুষ পূর্ব দিক থেকে পশ্চিমে আসছে। কিন্তু দক্ষিণে জায়গা না থাকায় অনেকেই আবার গাজা সিটিতেই ফিরে যাচ্ছে।’
বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ মানুষ এখনো গাজা সিটিতে আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইসরায়েলি সেনাদের দাবি, ইতোমধ্যে আড়াই লাখের বেশি মানুষ শহর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
এমএস/