দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন কনজারভেটিভ কর্মী ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চার্লি কার্ক হত্যার ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য নিশ্চিত করে একে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যা দেন।
গত বুধবার ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতার সময় স্নাইপারের গুলিতে নিহত হন কার্ক। প্রায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আততায়ীকে খুঁজছিল পুলিশ ও এফবিআই। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়।
তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলের কাছে ফেলে যাওয়া একটি বোল্ট-অ্যাকশন রাইফেল উদ্ধার করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কালো পোশাক ও টুপি পরা এক ব্যক্তি ভবনের ছাদে উঠে কার্কের দিকে গুলি চালায়। গুলি তার গলায় লাগে এবং এতে আতঙ্কিত হয়ে উপস্থিত তিন হাজার দর্শক ছুটোছুটি শুরু করেন।
কার্ক ছিলেন কনজারভেটিভ সংগঠন ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। তরুণ ভোটারদের রিপাবলিকানদের দিকে টানতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আমেরিকান কামব্যাক ট্যুর’ নামের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার অংশ হিসেবেই ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন কার্ক।
তার হত্যাকাণ্ডে মার্কিন রাজনীতির দুই শিবিরই শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, চার্লি কার্ককে মরণোত্তর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম দেওয়া হবে।
এমএস/