দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরান-সমর্থিত হুথি সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাবি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের এই হামলায় তার কয়েকজন সহযোগীও মারা গেছেন বলে খবর দিয়েছে ইয়েমেনের আল-জুমহুরিয়া টিভি ও দৈনিক ‘আদেন আল-গাদ’। তবে ইসরায়েল এখনও এ ঘটনার আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেয়নি।
খবরে আরও বলা হয়, আল-রাহাবির ওপর হামলাটি রাজধানীর বাইরে আরেকটি হামলার আলাদা ঘটনা। ওই হামলায় অন্তত ১০ জন শীর্ষ হুথি মন্ত্রী একত্রিত ছিলেন দলীয় নেতা আবদুল মালিক আল-হুথির বক্তব্য শোনার জন্য। তবে সেই হামলার ফলাফল এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ইসরায়েলের চ্যানেল–১৩ দাবি করেছে, হামলা সফল হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
হামলায় হুথিদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মদ নাসের আল-আত্তাফি ও সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আল-ঘামারিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। আল-আত্তাফি ২০১৬ সাল থেকে পদে আছেন এবং ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আল-ঘামারি গত জুনে এক ইসরায়েলি হামলায় আহত হলেও তখন প্রাণে বেঁচে যান।
ইসরায়েলি সূত্র বলছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে হুথিদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো শীর্ষ নেতা নিহত হননি। বরং ইসরায়েল সাধারণ জনগণ ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাচ্ছে শুধুমাত্র গাজাকে সমর্থন করার কারণে।
এটি ছিল ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের ওপর ইসরায়েলের ১৬তম হামলা। হুথিরা ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েল ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হামলা শুরু করে। ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চলাকালে কিছুদিন আক্রমণ বন্ধ থাকলেও চলতি বছরের মার্চ থেকে তারা আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
এফএইচ/ এমএস