দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মিয়ানমারের শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ঘোষণা দিয়েছে, তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সামরিক জান্তার পরিকল্পিত জাতীয় নির্বাচন হতে দেবে না। সোমবার (১১ আগস্ট) এ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের অঞ্চলে এই নির্বাচন বানচাল করে দেওয়া হবে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে আরাকান আর্মি মিয়ানমারের জান্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তারা পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের প্রায় পুরো অংশের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
জান্তা দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় শাসনের বিরোধিতাকারী বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়ছে। এখন সেই লড়াইয়ে নতুন করে যোগ দিয়েছে গণতন্ত্রপন্থী গেরিলা ইউনিটগুলোও।
গত জুলাইয়ের শেষ দিকে অভ্যুত্থানের সময় জারি করা জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে সামরিক সরকার ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেয়। তবে, ক্ষমতাচ্যুত গণতন্ত্রপন্থী আইনপ্রণেতারা ও জান্তাবিরোধী গোষ্ঠীগুলো নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞও এই ভোটকে “প্রতারণা” আখ্যা দিয়ে বলেছেন, জান্তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতেই এই আয়োজন।
সংঘাত পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন, রাখাইনের ১৭টি শহরের মধ্যে অন্তত ১৪টি বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। গোষ্ঠীর মুখপাত্র খাইং থু খা বলেছেন, “জনসমর্থনহীন নির্বাচন জনগণের উপকারে আসবে না, বরং তাদের আরও বিভ্রান্ত করবে। সামরিক জান্তার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু আমাদের এলাকায় তা হতে দেওয়া হবে না। রাখাইনবাসী নির্বাচনে আগ্রহী নন।”
জান্তার হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমারের ৫ কোটি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইনে বাস করেন। প্রথম দিকে আরাকান আর্মির সঙ্গে জান্তার যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকলেও ২০২৩ সালের শেষ দিকে তা ভেঙে যায়। এরপর অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীও এএ–এর সঙ্গে জান্তাবিরোধী যুদ্ধে যোগ দেয়, যার ফলে সামরিক বাহিনী একের পর এক অঞ্চল হারায়।
প্রতিবাদে জান্তা রাখাইনের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালায় এবং উপকূলীয় এই রাজ্যকে কার্যত দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে অবরোধ আরোপ করে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাখাইনে প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে আছে। জান্তা বলছে, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজ্যের ১৪টি শহরে স্থানীয়ভাবে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে।
আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ পিছিয়ে দশ নম্বরে নেমে গেছে বাংলাদেশ। মাত্র এক রেটিং পয়েন্টের ব্যবধানে নবম স্থানে উঠে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বর্তমানে বাংলাদেশের রেটিং ৭৭, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭৮।
এ বছর ৫ মে প্রায় দুই দশক পর প্রথমবার দশে নেমেছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি জয় পেয়ে জুলাইয়ে সাময়িকভাবে নয় নম্বরে উঠলেও স্থায়ী হয়নি সেই অবস্থান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাম্প্রতিক জয়ে আবারও পিছিয়ে পড়তে হলো লাল-সবুজদের।
বাংলাদেশ প্রথমবার দশে ওঠে ২০০৫ সালের আগস্টে, কেনিয়াকে পিছিয়ে। ২০০৬ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে পৌঁছে যায় নয় নম্বরে। ২০১৭ সালের মে মাসে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ছয় নম্বরে ওঠা এখন পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ অবস্থান।
২০২২ সালে সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে আবারও ছয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাব ও বড় দলের বিপক্ষে পরাজয় বাড়ায় র্যাঙ্কিং ধীরে ধীরে নেমে এসেছে আগের সেই তলানিতে।
এফএইচ/এমএইচ