দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইউক্রেনের আকাশ ভারী হয়ে উঠছে একের পর এক রাশিয়ান ড্রোন হামলায়। পূর্ব ইউক্রেন জুড়ে রাশিয়ার ছোট ছোট অগ্রগতি জমা হয়ে বড় রূপ নিচ্ছে। তারা একের পর এক সামান্য এলাকা দখল করছে এবং গ্রীষ্মকালীন আক্রমণের জন্য বিশাল সম্পদ নিয়োগ করছে—যা ফ্রন্টলাইনের নিয়ন্ত্রণ বদলে দিতে পারে।
কোস্টিয়ানটিনিভকা ও পোক্রোভস্কের পিছনের গ্রামগুলোতে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত বদলাচ্ছে। রাশিয়ান ড্রোনগুলো কিয়েভের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত শান্ত অঞ্চলেও প্রবেশ করছে এবং ইউক্রেনীয় সেনাদের কাছে রাশিয়ার অবিরাম আক্রমণ থামানোর মতো জনবল ও সম্পদের বড়ই ‘অভাব’।
এই পরিস্থিতিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য শান্তি আলোচনার সময়সীমা ৫০ দিন থেকে কমিয়ে ১২ দিন করেছেন। ট্রাম্প পুতিনকে নিয়ে ‘অত্যন্ত হতাশ’ বলে জানিয়েছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ক্রেমলিন মাসের পর মাস ধরে চাওয়া যুদ্ধবিরতি মানবে না।
এই সংক্ষিপ্ত সময়সীমা কিয়েভকে স্বস্তি দিয়েছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেয়ার তাগিদ বাড়াতে পারে। কিন্তু মস্কোর কৌশল বদলানোর সম্ভাবনা কম, কারণ তাদের জনবল, ক্ষয়ক্ষতির সহনশীলতা এবং বিশাল অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা এখন যুদ্ধে রুশদের ভালো রেজাল্ট দিচ্ছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে রাশিয়ান বাহিনী ‘অগ্রসর হচ্ছে না’ কিন্তু স্বীকার করেছেন যে ফ্রন্টলাইনের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত কঠিন’। পোক্রোভস্কের আশেপাশে এই সংকটের অনুভূতি সবচেয়ে তীব্র, যেখানে রাশিয়ান সেনারা মাসের পর মাস ব্যর্থ আক্রমণ চালিয়েছে এবং প্রচুর প্রাণ হারিয়েছে।
এক ইউক্রেনীয় কমান্ডার বলেন, ‘একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে’ যেখানে পোক্রোভস্কের সংলগ্ন মিরনোহ্রাদ শহরের সেনারা ‘ঘেরাও হওয়ার ঝুঁকিতে আছে’।
তিনি যোগ করেন, রাশিয়ান সেনারা ইতিমধ্যে রডিনস্কে গ্রামে ঢুকে পড়েছে এবং বিলেটস্কের প্রান্তে রয়েছে—যা পোক্রোভস্কের ইউক্রেনীয় সেনাদের সরবরাহ লাইনকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সূত্র: সিএনএন নিউজ।
কে