দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা ঘিরে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও যুদ্ধবিমান পাঠানোর কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। খবর-বিবিসি ও আল–জাজিরা
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী জানান, ওই অঞ্চলজুড়ে জরুরি সহায়তা দেওয়ার জন্যই যুদ্ধবিমান পাঠানো হবে।
কিয়ার স্টারমার কানাডায় ধনী দেশগুলোর জোট জি–৭–এর সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কিয়ার স্টারমার শনিবার সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে তাঁর সরকারি দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।
আগে থেকেই যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) ‘অপারেশন শেডারে’র অংশ হিসেবে ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে রেখেছে।
আগামীকাল কানাডায় শুরু হতে যাওয়া জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে রওনা হওয়ার পথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং সব পর্যায়ে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, একটা কথাই বারবার শোনা যাচ্ছে—উত্তেজনা প্রশমিত করুন।
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের পক্ষে সরাসরি সামরিকভাবে জড়িত হবে কি না—এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গতকাল আমি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে একটি দারুণ এবং গঠনমূলক আলোচনা করেছি, যেখানে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে কথোপকথন হয়েছে।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে এবং যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
তিনি বলেন, আমি একেবারেই স্পষ্ট করে বলছি—এই পরিস্থিতির উত্তেজনা কমাতে হবে।
শুক্রবার রাতে ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দেয়। এরপর থেকে সংঘাত বাড়তে থাকে।
কে