দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রায় দুই মাস ধরে চলছে ভারতের মণিপুর রাজ্যে চলছে দাঙ্গা। মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে চলা এ দাঙ্গায় প্রাণ গেছে প্রায় দেড়’শ জনের। ঘর ছাড়া হয়েছেন ৫০ হাজার মানুষ। কেন্দ্রের একাধিক পদক্ষেপ সত্ত্বেও এ সংঘর্ষ বন্ধের কোনও লক্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ওই রাজ্য পরিদর্শনে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল রাহুলের সফরের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার ও শনিবার রাহুল গান্ধী মণিপুর সফরে সংঘর্ষের ঘটনায় ঘর ছাড়াদের শিবিরগুলো পরিদর্শন করবেন। আলোচনা করবেন মণিপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও।’
প্রায় দুই মাস ধরে চলা ধারাবাহিক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দেড়শ ছুঁতে চলছে। ঘরছাড়া প্রায় ৫০ হাজার মানুষ! গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক করলেও তার পরেও মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
মে মাসের তিন থেকে ছয় তারিখ পর্যন্ত পুরো রাজ্যে ভয়াবহ সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, মেইতেই আর কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরকে টার্গেট করেছিল।
স্থানীয়রা বলছেন, মণিপুর এখন দু টুকরো হয়ে গেছে, যার একটা অংশে আছেন মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ, অন্য অংশে রয়েছেন কুকিরা। এই সহিংসতা এক, দুই বা চারদিনের নয়, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে। পরিবার ধ্বংস হয়েছে, বাড়িঘর জ্বলে পুড়ে গেছে, উজাড় হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জ।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কুকি সম্প্রদায় তফসিলি উপজাতির মর্যাদা পেয়েছে, অন্যদিকে মেইতেইরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী। মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ কুকিদের এলাকায় জমি কিনতে পারেন না, তাই তারা উপজাতির মর্যাদা চাইছেন।