দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শ্রেণিকক্ষে এক কলেজছাত্রকে তার শিক্ষিকা বিয়ে করছেন, এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ বিয়েতে হিন্দু রীতি অনুযায়ী হলুদ, মালা বিনিময় ও মণ্ডপের চারপাশে সাতবার ঘোরার মতো সব আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
কলকাতা থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে নদীয়ার হরিণঘাটা প্রযুক্তি কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। কলেজটি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া ওই অধ্যাপকের নাম পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে কনের পোশাকে এবং মালা পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। তবে তিনি বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এটি আসল বিয়ে ছিল না। এটি শুধু শ্রেণিকক্ষের ভেতরে একাডেমিক অনুশীলনের অংশ ছিল।
ইতোমধ্যে শিক্ষিকা পায়লকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমটি গঠন করা হয়েছে। কলেজের কর্মকর্তারা বলেন, আমরা যথাযথ তদন্ত ছাড়া কোনো কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারি না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ওই কলেজছাত্রের গায়ে হালুদ মেখে দিচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষিকা ও ছাত্র পরস্পরকে মালা বিনিময় করতে দেখা যায়। এরপর হিন্দু রীতি অনুযায়ী তারা বিয়ের মণ্ডপের চারপাশে সাত পাঁক ঘোরেন। তারপর ওই ছাত্রকে শিক্ষিকার কপালে সিঁদুর লাগাতে এবং তাকে একটি গোলাপ দিতে দেখা যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্যাডে তারা একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসাবে গ্রহণ করে স্বাক্ষর করেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।
পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক বছর ধরে ওই কলেজে মনোবিজ্ঞান পড়ান। তিনি দাবি করেন, এই কাজটি একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক নাটকের’ অংশ, যা তিনি তার ক্লাসে পাঠদানের কাজে ব্যবহার করেছেন। তাকে অপমানের উদ্দেশে ভিডিওটি ফাঁস করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ওই কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আরএ