দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের (ইএসি-পিএম) একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে যে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের (হিন্দু) জনসংখ্যার ভাগ শতকরা সাত দশমিক আট ভাগ হ্রাস পেয়েছে। তবে, প্রতিবেশী বেশ কয়েকটি দেশে এই ধারা বৃদ্ধির পেয়েছে।
ভারতে হিন্দু জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখসহ সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেড়েছে। তবে, জৈন ও পার্সিদের সংখ্যা কমেছে।
এই ৬৫ বছরের মধ্যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যার অংশ ৪৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, খ্রিস্টানরা ৫ দশমিক আটত্রিশ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, শিখদের বৃদ্ধির হার ৬ দশমিক আটান্ন শতাংশ। কিন্তু, তুলনামূলকভাবে বৌদ্ধদের সংখ্যা সামান্যই বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে ১৯৫০ সালে ভারতের নাগরিক ছিলেন ৮৪ শতাংশ হিন্দু। পরের ৬৫ বছরে এই চিত্রটা পালটে গেছে। ২০১৫ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ৮ শতাংশ কমেছে হিন্দুর সংখ্যা।
এই সমীক্ষাতে দেখা গেছে, মিয়ানমারেও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে, এছাড়া হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে নেপালে। ১৬৭টি দেশের সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার সঙ্গে তুলনা করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর ইকনমিক অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল।
এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় হিন্দুদের সংখ্যা ভারতে ধারাবাহিকভাবে কমেছে। এতে আরও বলা হয়েছে, এই রিপোর্ট প্রমাণ করছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবলমাত্র সুরক্ষিতই নয় বরং সংখ্যার হারে ক্রমবর্ধমান।
এদিকে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে দেখা গেছে ভারতের উল্টো ঠিক চিত্র। এই দুই দেশে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা (হিন্দু) বেড়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ হিন্দু নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু বেড়েছে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই ৬৫ বছরের মধ্যে আফগানিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা বেড়েছে ০.২৯ শতাংশ।
সূত্র: ইন্ডিয়াটুডে
এম