দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের এলাহাবাদ আদালত সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশের মাদরাসাগুলো নিষিদ্ধের আদেশ দিয়েছে। দেশটিতে লোকসভা নির্বাচনের আগে মাদরাসার ওপর এমন নির্দেশ দেওয়ার ফলে মুসলিমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর থেকে আস্থা হারাবেন। খবরঃ রয়টার্স
শুক্রবার (২২ মার্চ) বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী এবং বিবেক চৌধুরী এ রায় দেন।
এ রায়ের মাধ্যমে উত্তর প্রদেশে মাদরাসা পরিচালনাকারী ২০০৪ সালের আইন বাতিল করা হলো। রায়ে বলা হয়েছে, এই আইন ভারতের সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতাকে লঙ্ঘন করে। এ ছাড়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের প্রচলিত স্কুলে স্থানান্তরেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ইসলাম ভিত্তিক স্কুল মাদ্রাসায় মূলত ইসলাম শিক্ষা দেয়া হয় এবং তার পাশপাশি জাতীয় কারিকুলামে থাকা পাঠ্যবইও পড়ানো হয়।
উত্তর প্রদেশের মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ইফতিখার আহমেদ জাভেদ জানিয়েছেন, আদালতের এই আদেশের পর মাদরাসাগুলোতে দেওয়া সরকারি অনুদান বন্ধ হয়ে যাবে।
উত্তরপ্রদেশে মাদরাসা বোর্ডের সাংবিধানিকতার বৈধতা নিয়ে অংশুমান সিং রাঠোর নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা মামলায় এই রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। এই রাঠোর কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কি না তা নির্ধারণ বা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স।
অংশুমান সিং রাঠোর নামে একজন আইনজীবীর আবেদনের ভিত্তিতে এলাহাবাদ হাই কোর্ট মাদ্রাসা নিষিদ্ধের এই রায় দেয়।
উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় থাকা বিজেপির মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠী রয়টার্সকে বলেন, রাজ্য সরকার মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে নয়। বরং তারা মুসলমান শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বিগ্ন।
এম