দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শ্রম অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, ভিসা বিধি-নিষেধসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথমবারের মতো এ সংক্রান্ত স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন এই স্মারকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। পরে তা দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এছাড়া হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্মারকের শুরুতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমাকে যে কর্তৃত্ব দিয়েছে, তার সাহায্যে দেশে ও সারা বিশ্বে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত করতে আমি আদেশ দিচ্ছি।’
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সেই স্মারকের অনুচ্ছেদ-৩-এর ধারা বি-তে বলা হয়, শ্রমিক নেতা, শ্রম অধিকারকর্মীদের নিপীড়ন ও সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু করার বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিদেশে নিযুক্ত (মার্কিন) সংস্থাগুলো যথাযথভাবে এসব ব্যক্তি যেসব ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন, তার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করবে, তাদের সুরক্ষাকে সমর্থন করবে।
বি ধারার উপধারা (১)-এ বলা হয়, বিদেশে নিযুক্ত সংস্থাগুলো সরকারি-বেসরকারি ও অন্যান্য গোষ্ঠীর কাছ থেকে বানোয়াট মামলার ব্যবহারসহ শ্রমিক ও ইউনিয়নবিরোধী হয়রানির উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবে। এসব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যিক জরিমানা, ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বি ধারার উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, বিদেশে নিযুক্ত মার্কিন সংস্থাগুলো শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সহিংসতার হুমকি যেমন—ভয়ভীতি, কালো তালিকাভুক্তির প্রস্তাব, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ও সদস্যদের বিরুদ্ধে বৈষম্য মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব এগিয়ে নেবে এবং যথাযথভাবে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, মানবাধিকার, নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট ফোরামে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়তা করবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্দেশনা প্রকাশ করে বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু করবে। শ্রম অধিকার, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা শক্তিশালীকরণ এবং আমেরিকান কর্মী ও কম্পানিগুলোর কাজের সমান সুযোগ সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের নতুন এই উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নীতির আলোকে শ্রমিক ও ইউনিয়নের ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নেবে।
অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, মার্কিন শ্রম দপ্তরসহ অন্য অংশীদারদের পাশাপাশি পররাষ্ট্র দপ্তর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকার এগিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চালাবে।
ডিপি/