দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিমানে বোমা হামলার হুমকিতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বেশকয়েকটি বিমান জরুরী অবতরণ করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ইউরোপীয় অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করা অন্তত ৩২টি ফ্লাইটে বোমা থাকার হুমকি পাওয়ার পর কয়েকটি বিমানকে গতিপথ পরিবর্তন করে অন্য বিমানবন্দরে অবতরণ করতে হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতালি, ফ্রান্স ও বুলগেরিয়ায় সামরিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
ইতালির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাই নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বোমা হামলার হুমকির তালিকায় রয়েছে ইইউর লো-কস্ট বিমান কোম্পানি রায়ানএয়ার, উইজ এয়ার, ফিনএয়ার, অ্যার লিঙ্গাস ও লট পোলিশ এয়ারলাইন্সসহ একাধিক বিমান সংস্থা। এঘটনায় ইতালি, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, স্পেন, পোল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
বিশেষ করে ইতালির মিলান মালপেনসা বিমানবন্দর থেকে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশগামী উইজ এয়ারের একটি এয়ারবাস এ৩২১ উড়োজাহাজ উড্ডয়নের পর বোমা হামলার হুমকি পায়। পরে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবতরণ করানো হয়।
এ ছাড়া মিলানের মালপেন্সা বিমানবন্দরে হেলসিংকি থেকে আসা এজিয়ান এয়ারলাইন্স এবং পর্তুগালের পোর্তো থেকে আসা রায়ানএয়ারের দুটি ফ্লাইটেও বোমা থাকার হুমকি দেওয়া হয়। বিমান দুটি নিরাপদে অবতরণ করলেও যাত্রী, লাগেজ ও উড়োজাহাজে বিশেষ তল্লাশি চালানো হয়।
মালপেনসা বিমানবন্দরের একটি সরকারি দপ্তরে ইতালিয়ান ভাষায় লেখা একটি ইমেইলের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, বিমানগুলোতে বোমা রাখা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবহনবিষয়ক কমিশনার আপোস্তলোস জিৎসিকোস্তাস জানিয়েছেন, বিমান নিরাপত্তা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। তবে এসব ঘটনা সাইবার হামলার সঙ্গে যুক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বর্তমানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন সংঘাতের কারণে ইউরোপে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো বলেছেন, কেউ পরিকল্পিতভাবে ইউরোপে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
এমজে