দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করেছে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুই সংগঠনের যৌথ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এদিন শিয়ালদহ রেলস্টেশন থেকে মিছিল শুরু করেন দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিলে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআইয়ের প্রায় ৬০ জন সমর্থক অংশ নেন।
মিছিলটি বাংলাদেশ মিশনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল কলকাতা পুলিশ। মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিক্ষোভকারীদের মিশনের সামনে যেতে বাধা দেয় পুলিশ।
একপর্যায়ে বাংলাদেশ মিশনের অনুমতি নিয়ে পাঁচজন প্রতিনিধিকে ভেতরে গিয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর বেশ কিছুক্ষণ মিশনের বাইরে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা বাংলাদেশ মিশন চত্বর ছেড়ে চলে যান।
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বের হয়ে এনসিপিআই নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। দলটি বর্তমানে বিজেপির জোটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবারের কর্মসূচিতে দলটির একাংশের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের বাইরে একাধিকবার বিক্ষোভ ও জমায়েতের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও মিশনের বাইরে বিক্ষোভ, জমায়েত কিংবা ঘেরাওয়ের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
এমএস/