• লাইভ টিভি
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • স্বাস্থ্য
জাতীয় নীতি সংলাপে বক্তারা

ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার সুপারিশ

দেশ টিভি ডেস্ক
  ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৪

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ওষুধের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার জোর সুপারিশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ওষুধশিল্পের প্রতিনিধি এবং নীতি গবেষকরা।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাইনেট আয়োজিত ‘রোগীর নাগালে ওষুধ, উৎপাদকের টেকসইতা: ভারসাম্যপূর্ণ ওষুধনীতির সন্ধানে’ শীর্ষক জাতীয় নীতি সংলাপে বক্তারা এ কথা বলেন।

সংলাপে অংশ নেওয়া বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দেশে চিকিৎসা ব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি রোগীকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয়, যার প্রায় ৬০ শতাংশই খরচ হয় ওষুধের পেছনে। তাই শুধুমাত্র ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনাই নীতিমালার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়, বরং রোগীর ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে একটি টেকসই ও যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা জরুরি। একই সাথে মানসম্মত ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ও বাজার সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় উঠে আসে যে, বাংলাদেশ বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ নিজেই উৎপাদন করছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামাল (এপিআই), জ্বালানি, পরিবহন এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে উৎপাদন খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

বক্তারা বলেন, অযৌক্তিক বা তাড়াহুড়ো করে দাম কমানোর চাপ দিলে বাজারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর বিপরীতে একটি স্বচ্ছ, বৈজ্ঞানিক ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করা দরকার।

ওষুধের মূল্য যতটা সম্ভব কম রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। বরং রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বিজ্ঞানভিত্তিক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা, স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ, নিয়মিত মূল্য পর্যালোচনা, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং রোগীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ।

তিনি বলেন, রোগীর জন্য ওষুধ সাশ্রয়ী রাখা এবং ওষুধশিল্পের টেকসইতা নিশ্চিত করা পরস্পরবিরোধী লক্ষ্য নয়; বরং একই জনস্বাস্থ্যনীতির দুটি অপরিহার্য উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘ওষুধনীতির লক্ষ্য সর্বনিম্ন সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ নয়; লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি টেকসই মূল্য, যা রোগী বহন করতে পারেন এবং উৎপাদকও টেকসইভাবে মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করতে পারেন।’

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯৪ সাল থেকে ১১৭টি তালিকাভুক্ত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে মূলত কস্ট-প্লাস প্রাইসিং ফর্মুলা অনুসরণ করা হচ্ছে। নিয়মিত মূল্য সমন্বয় না হওয়া এবং ২০২২ সালের পর এসব ওষুধের মূল্য পুনঃনির্ধারণ না করায় কাঁচামাল, জ্বালানি, শ্রম, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তনের সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ের ব্যবধান বেড়েছে। ফলে কম মূল্যের কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২৯৫টিতে উন্নীত করে নতুন মূল্য কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আগস্টে তা বাস্তবায়নের আগেই বাতিল করা হয়।

মূল প্রবন্ধে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নে রোগের বোঝা, ক্লিনিক্যাল প্রমাণ, নিরাপত্তা, ব্যয়-কার্যকারিতা ও রোগীর আর্থিক বোঝা বিবেচনার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি মূল্য নির্ধারণ ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্য বাজার তথ্য, কার্যকর প্রতিযোগিতা, অংশীজনের পরামর্শ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সংলাপে আলোচনায় অংশ নিয়ে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ওষুধ কোম্পানিগুলোকে সরাসরি যুক্ত করার সুযোগ নেই। ২০২৬ সালে করা অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের তুলনায় কম। তালিকা প্রণয়নে ওষুধ কোম্পানির সম্পৃক্ততা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে। তবে তাদের পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় ওষুধশিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও মিশন প্রধান ডা. মামুনুর রহমান মালিক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি দুই বছর পরপর অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করে। বাংলাদেশে ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টর অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে করা হয় না। এজন্য ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ২০২৩ সালের ওষুধ ও কসমেটিকস আইনের ১৩ ধারায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রকাশ এবং দুই বছর পরপর হালনাগাদের একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেটি কার্যকর হয়নি। জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের কথা থাকলেও তা হয়নি। তিনি বলেন, ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণে স্থায়ী ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, বাংলাদেশে ওষুধশিল্প দেশের অন্যতম গর্বের খাত। এ শিল্পকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, অপ্রয়োজনীয় মোড়ক ও প্রচার ব্যয়ের কারণে ওষুধের দাম বাড়ানো উচিত নয়। চিকিৎসকদের উপহার, বিদেশ ভ্রমণসহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার প্রবণতাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান বলেন, মানসম্মত ওষুধ উৎপাদনের জন্য বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। কম দামে ওষুধ দিতে হলে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

ড্যাব মহাসচিব জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, রোগীর নাগালে ওষুধ বলতে রোগীর আয় অনুযায়ী সাশ্রয়ী হওয়াকে বোঝায়। দেশে একটি কার্যকর জাতীয় ওষুধনীতি ও স্বাস্থ্যনীতি প্রয়োজন। সংলাপের সুপারিশগুলো সমন্বিত করে সরকারের কাছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এনডিএফের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন ওষুধ কোম্পানিগুলোর উদ্দেশে বলেন, চিকিৎসকদের উপহার দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। বিপুল অর্থ বিপণনে ব্যয় না করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য কমানো ও রোগীর স্বার্থে ব্যয় করা হলে তা বেশি কার্যকর হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক এ ধরনের নীতি সংলাপ ধারাবাহিকভাবে আয়োজনের আহ্বান জানান। তিনি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য খাতে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনের তাগিদ দেন।

বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির (বাপি) ট্রেজারার ও স্কয়ারের নির্বাহী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যেন উৎপাদন কমে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ওষুধশিল্পের টেকসইতা যেমন প্রয়োজন, তেমনি উৎপাদন সক্ষমতাকেও শক্তিশালী করতে হবে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ডিজিডিএ মূলত নীতিনির্ধারণের পর্যায়ে কাজ করে না। নীতির আলোকে তদারকি, সমন্বয় ও মনিটরিং করা তাদের দায়িত্ব।

জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ বলেন, ড্রাগ কন্ট্রোল অথোরিটিকে আরও পেশাদার হতে হবে। চিকিৎসকদের বিনা মূল্যে ওষুধ দেওয়ার মতো অনৈতিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

হাম উপসর্গে নিভল আরও ৫ প্রাণ

ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ রোগীদের পকেট থেকে চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে। বিপণনে ব্যয় করা অর্থের একটি অংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধে ব্যয় করা হলে প্রান্তিক মানুষের উপকার হবে। তিনি এ ধরনের নীতি সংলাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সংলাপে ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. শাদরুল আলম এবং ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূইয়াসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

কে

  • ওষুধ
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যৌন অপরাধ রুখতে যুক্তরাজ্যে দেওয়া হবে বিশেষ ওষুধ
যৌন অপরাধ রুখতে যুক্তরাজ্যে দেওয়া হবে বিশেষ ওষুধ
অননুমোদিত বিদেশি ওষুধ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি: মাগুরায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
অননুমোদিত বিদেশি ওষুধ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি: মাগুরায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
অননুমোদিত বিদেশি ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
অননুমোদিত বিদেশি ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
নওগাঁয় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ওষুধ ব্যবসায়ী নিহত
নওগাঁয় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ওষুধ ব্যবসায়ী নিহত
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।