দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

১৯৯৪ সালের ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পরাজয় অনেকের কাছেই ছিল বিস্ময়ের। সে সময় ভারতের অন্যতম শীর্ষ সুপারমডেল হিসেবে পরিচিত ঐশ্বরিয়ার জয় প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হলেও শেষ পর্যন্ত মুকুট ওঠে সুস্মিতা সেনের মাথায়।
৩২ বছর পর সেই প্রতিযোগিতার নেপথ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এনেছেন বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রহ্লাদ কক্কর। তাঁর দাবি, প্রতিযোগিতার মঞ্চে একটি দুর্ঘটনা ফলাফলের গতিপথ বদলে দিয়েছিল।
প্রহ্লাদ জানান, মঞ্চে হাঁটার সময় পড়ে গিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। এরপর বিচারকদের মধ্যে ফলাফল নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয়। আর সেখানেই সুস্মিতা সেন স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে যান।
প্রহ্লাদের ভাষ্য, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় সুস্মিতা ছিলেন বেশি আত্মবিশ্বাসী। নিজের বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরার দক্ষতাও ছিল তাঁর। ফলে অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বটি শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতার ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এর আগে অন্য এক সাক্ষাৎকারেও প্রহ্লাদ কক্কর বলেছিলেন, ইংরেজিতে সাবলীলতা এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজেকে প্রকাশের দক্ষতায় সুস্মিতা ঐশ্বরিয়ার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তাঁর মতে, কনভেন্ট শিক্ষার কারণে ওই সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে সুস্মিতা তুলনামূলকভাবে বেশি স্বচ্ছন্দ ছিলেন।
তবে মিস ইন্ডিয়ার মুকুট নিয়ে দুজনের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়নি। বরং বিভিন্ন সময়ে ঐশ্বরিয়ার প্রশংসা করেছেন সুস্মিতা।
মিস ইন্ডিয়ার মুকুট হাতছাড়া হলেও ওই বছরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন ঐশ্বরিয়া। ১৯৯৪ সালের ১৯ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার সান সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতার ৪৪তম আসরে ৮৬ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জেতেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন ঐশ্বরিয়া।
সুত্র-দ্য ওয়াল
এমএম/