দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হংকংয়ের ব্যস্ত রাস্তায় হঠাৎ যেন থেমে গেছে সময়। চারপাশে আধুনিক শহরের কোলাহল, অথচ দুই ফ্রেমে মেহজাবীন চৌধুরী ও আদনান আল রাজীবকে দেখে মনে হয়, গল্পটা বুঝি ষাটের দশকের কোনো সিনেমার। পোশাক, পথচলা আর ছবির ফ্রেমিং—সব মিলিয়ে তাদের নতুন ছবিগুলো মনে করিয়ে দিচ্ছে -এর সেই মায়াবী আবহ।
৪ সেপ্টেম্বর হংকংয়ে তোলা একগুচ্ছ ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন মেহজাবীন। ছবিগুলোতে কখনও তাকে ও আদনানকে পাশাপাশি হাঁটতে দেখা গেছে, আবার কখনও ব্যস্ত শহরের ভিড়ে দুজনকে আলাদা ফ্রেমে ধরা হয়েছে। পুরোনো দিনের পোশাক ও নান্দনিক ফ্রেমিংয়ের কারণে ছবিগুলোতে তৈরি হয়েছে একধরনের সিনেমাটিক আবহ।
ছবিগুলোর অনুপ্রেরণা যে ‘ইন দ্য মুড ফর লাভ’, সেটিও যেন স্পষ্ট। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া হংকংয়ের খ্যাতিমান পরিচালক ওং কার-ওয়াইয়ের এই সিনেমার গল্প ষাটের দশকের হংকংকে ঘিরে। ভালোবাসা, একাকিত্ব, অপেক্ষা আর না-পাওয়ার আবেগকে ভিন্নধর্মী নান্দনিকতায় তুলে ধরার কারণে সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। ২০০০ সালের ৫৩তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা বিভাগে সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়।
মেহজাবীন ও আদনানের বাস্তব গল্পেও অবশ্য রয়েছে দীর্ঘ পথচলার অধ্যায়। মেহজাবীন অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করে পরিচিতি পেয়েছেন। ২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর দেশের বিনোদন অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। অন্যদিকে নির্মাতা ও প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন আদনান আল রাজীব।
দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর ২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে বিয়ে করেন তারা। সেই সম্পর্কের পর্দার বাইরের গল্পই এবার যেন নতুন রঙ পেল হংকংয়ের রাস্তায়।
তাই মেহজাবীন-আদনানের হংকংয়ের ছবিগুলোকে শুধু ভ্রমণের স্মৃতি বললে হয়ত গল্পের একটা অংশ বাদ পড়ে যায়। শহরের ব্যস্ততার মাঝেও পাশাপাশি হাঁটা দুজন মানুষ—আর সেই দৃশ্যের পেছনে ‘ইন দ্য মুড ফর লাভ’-এর নান্দনিকতা—সব মিলিয়ে ছবিগুলো হয়ে উঠেছে তাদের সম্পর্কেরই এক সিনেমাটিক মুহূর্ত।
কে