দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিষেক করতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। নির্মাতা মোহাম্মদ ইকবালের নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’-তে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তার নাম বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাতে চাননি নির্মাতা। মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, “এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করতে চাই না। সবকিছু কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”
মধুমিতা সরকার পশ্চিমবঙ্গের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকে ‘পাখি’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দুই বাংলায় পরিচিতি পান। এছাড়া ‘চিনি’ ও ‘কেয়ার করি না’সহ বিভিন্ন কাজেও অভিনয় করেছেন।
বাংলাদেশে এর আগে ২০১৬ সালে এনটিভিতে প্রচারিত ‘মেঘবালিকা’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন মধুমিতা। তবে ‘গুলশানের চামেলি’-তে অভিনয় করলে সেটিই হবে বাংলাদেশের বড় পর্দায় তার প্রথম কাজ।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ‘গুলশানের চামেলি’ রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা নিয়ে নির্মিত একটি নারীকেন্দ্রিক সিনেমা। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও সমাজ ও ক্ষমতার নির্মমতার শিকার হন।
নির্মাতার দাবি, ছবিটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকবে না। পুরো গল্প আবর্তিত হবে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রকে ঘিরে, যিনি গল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে হাজির হবেন।
এর আগে ২০২০ সালে ‘গুলশানের চামেলি’ নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হলেও নানা কারণে সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার নতুন পরিকল্পনায় ছবিটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রযোজক হিসেবে মোহাম্মদ ইকবাল ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’, ‘পাসওয়ার্ড’, ‘শুটার’ ও ‘বীর’সহ একাধিক সিনেমার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে পরিচালক হিসেবে নির্মাণ করেন ‘ডেডবডি’, ‘কিল হিম’ এবং ‘রিভেঞ্জ’। এবার ‘গুলশানের চামেলি’ দিয়ে তিনি নতুন একটি গল্প নিয়ে দর্শকের সামনে আসতে চান।
যে আই