দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও গীতিকার অভিজিৎ মজুমদার আর নেই।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিজ রাজ্য ওড়িশাসহ সমগ্র সংগীত জগতে। প্রিয় শিল্পীকে হারিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েছেন অসংখ্য অনুরাগী ও সহকর্মী।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিজিৎ মজুমদার। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হাইপারটেনশন, হাইপোথাইরয়েড ও ক্রনিক লিভার সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে কখনও শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও বারবার তা অবনতি হতে থাকে। শনিবার রাত থেকে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শেষ পর্যন্ত রোববার সকালে সকল অপেক্ষার অবসান ঘটে।
১৯৯১ সালে ওড়িশার সংগীত জগতে পথচলা শুরু করেন অভিজিৎ মজুমদার। ধীরে ধীরে নিজের প্রতিভা ও সৃষ্টিশীলতার জোরে তিনি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। বিশেষ করে ২০০০ সালের পর একের পর এক জনপ্রিয় গান ও সুর তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। সুরকার ও গীতিকার হিসেবে তার ঝুলিতে রয়েছে ৭০০টিরও বেশি গান, যা ওড়িশার চলচ্চিত্র ও আধুনিক সংগীতের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
‘লাভ স্টোরি’, ‘সিস্টার শ্রীদেবী’, ‘গোলমাল লাভ’, ‘মিস্টার মাজনু’, ‘শ্রীমান সুরদাস’, ‘সুন্দরগড় কা সলমন খান’-এর মতো বহু জনপ্রিয় ছবিতে তার সুর ও গান দর্শক-শ্রোতাদের মনে আজও সমানভাবে জায়গা করে আছে। জানা গেছে, চলতি বছরে মুক্তি পেতে চলা ‘পগলু’ ছবিতেই শোনা যাবে তার শেষ কাজ।
অভিজিৎ মজুমদারের প্রয়াণে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান ঘটল ওড়িশার সংগীত জগতে। তার সৃষ্টি ও সুর অনুরাগীদের মনে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে এমনটাই মনে করছেন সংগীতপ্রেমীরা।
জে আই