দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা ভারত। বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার কিছুক্ষণ পরই এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানে থাকা ২৪২ আরোহীর মধ্যে ২৪১ জনই নিহত হয়েছেন।
বলিউড অভিনেতাদের পাশপাশি এবার বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর শোক জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। যেখান তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘বিমান দুর্ঘটনা আমাকে আবারও ট্রমায় ফেলেছে।’
আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘প্রতিটা বিমান দুর্ঘটনা আতঙ্কের, হতাশার। প্রচুর প্রানহানির পাশাপাশি মানসিক বিপর্যয় ঘটে। ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার হিসেবে বিমানেই যেতে হয় এই দেশ ঐ দেশ। দোয়া দরুদ পড়ে শান্তভাবেই জার্নি করি।’
‘বাসা থেকে বের হয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত নিজেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখি। প্রস্তুত থাকি নিশ্চিত মৃত্যুর অনিশ্চিত যাত্রায়। যে সিটে বোর্ডিং সেই সিটেই বসে থাকি যেন পরিবার লাশ না পেলেও একটা কাপড়ের টুকরো হলেও পাবে এই আশায়।’
তার কথায়, ‘ভারতের আহমেদাবাদে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা আমাকে আবারও ট্রমায় ফেলেছে। দাউ দাউ আগুনে জ্বলে নিহতদের পরিবারের মানসিক অবস্থা কি! বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক আগ মূহুর্তে পাইলট ক্রু আর যাত্রীদের বাঁচার আকুতি কেমন হতে পারে তা ভেবেই শরীর অবশ করা মন খারাপ সবার।’
আসিফের ভাষ্যে, ‘আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়ার কারনে হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। উড্ডয়ন আর অবতরণে প্রতিটি বিমানই আসলে মৃত্যূকে আলিঙ্গন করে যায়, আবার বেঁচে থাকার স্বাদও উপহার দেয়। খোলা আকাশে বিমান উড়তে দেখলেই আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন বিমানটি যাত্রীদের নিয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে যায়।’
শেষে লিখেছেন, ‘কয়েকদিন আগেও আমার টিমের তিন মেম্বার এই এয়ারলাইন্সে লন্ডন ভ্রমন
করে এসেছে, তারা নিজেরাও এখন ট্রমায় আক্রান্ত। আহমেদাবাদ ট্র্যাজেডিতে নিহত সকলের পরিবারের প্রতি গভীর শোক এবং সমবেদনা প্রকাশ করছি। আসলে মৃত্যুই সত্য।’
এফএইচ/