দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামের চাঁন্দগাও র্যাব কার্যালয় থেকে সিনিয়র এএসপি পলাশ সাহার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছ। তিনি র্যাব-৭ এ কর্মরত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, নিজের ব্যবহৃত রিভালভার দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ঘটনাস্থলে তার মরদেহের পাশে একটি চিরকুটি পাওয়া যায়।
সেই চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য মা বা বউ কেউ দায়ী নয়। আমিই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারিনি। বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা কিছু আছে, তা মায়ের জন্য। দিদি যেন সবকিছু কো-অর্ডিনেট করে।’
এ ঘটনায় পলাশের বড় ভাই বলেন, মা ও ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছিলেন পলাশ সাহার স্ত্রী। হাত তোলার এমন ঘটনা মেনে নিতে না পেরে দুপুরেই চট্টগ্রামে ‘আত্মহত্যা’র পথ বেছে নিয়েছেন তার ভাই।
পলাশের মৃত্যুর ঘটনায় যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক বইছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়রের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন অভিনেতা জায়েদ খান।
পলাশ ও তার লিখে যাওয়া চিরকুটের দুইটি ছবি প্রকাশ করে জায়েদ লিখেছেন, ‘ছোট ভাই পলাশ। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের হওয়াতে দেখা হলে ভালো লাগত। খুব ভালো ছেলে ছিল। দেখা হলেই হাসি দিয়ে বলতেন ভাইয়া চা খাবেন?’
পারিবারিক কলহের কারণে পলাশের এমন মৃত্যু, দাবি করে জায়েদ লেখেন- ‘ছেলেটা (পলাশ) আজকে পারিবারিক কলহের কারণে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল। মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে!’
উল্লেখ্য, পলাশ সাহা ৩৭তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন।
আরএ