দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গভীর রাতে এক বা একাধিক দুর্বৃত্ত ঢুকে পড়ে সাইফ আলী খান ও কারিনা কাপুর খানের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে। সাইফকে ছুরি দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করে তারা। রক্তাক্ত সাইফকে নেওয়া হয় মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাইফ খানের বড় ছেলে ইব্রাহিম আলী খান অভিনেতাকে অটো করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এ ব্যাপারে চিকিৎসক নীরজ উত্তমণি আসল তথ্যটি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সাইফের সঙ্গে তার ছেলে তৈমুর ছিল।
তিনি বলেন, রাতে সাইফ আলী খান হাসপাতালে আসার পর আমিই সেই চিকিৎসক ছিলাম, যার সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়ছিল। তিনি পুরো রক্তাক্ত ছিলেন। তার সারা শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছিল, কিন্তু তিনি সিংহের মতো হেঁটে এসেছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ছয়-সাত বছরের ছোট্ট তৈমুর।
বলছিলেন লীলাবতী হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী নীরজ উত্তমণি। তার ভাষ্যে, তৈমুরের হাত ধরে তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন। বাস্তবেই তিনি হিরো। সিনেমার পর্দায় হিরোগিরি করা ঠিক আছে, কিন্তু ঘরে আপনার ওপর কেউ হামলা করল আর প্রকৃত হিরোর মতো তখন রুখে দাঁড়ানো এবং সেখান থেকে এভাবে বেরিয়ে আসা, মুখের কথা নয়।
সাইফের শরীরের বিষয়ে চিকিৎসক নীরজ উত্তমণি জানিয়েছেন, সাইফ এখন ভালো আছেন। তার সব প্যারামিটার ঠিক আছে। আইসিইউ থেকে তাকে স্পেশাল রুমে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আমরা আপাতত তার সঙ্গে কাউকে সাক্ষাৎ করতে দিচ্ছি না। আমরা চাই, উনি বিশ্রাম নিক। অনেক ধকল গেছে। ইনফেকশনের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।
নিউরোসার্জন নিতিন ডাঙ্গে আর তাঁর দল সাইফের অস্ত্রোপচার করেছে। চিকিৎসক নিতিন জানিয়েছেন যে শুক্রবার সাইফকে হাঁটাচলা করানো হয়েছে। আর তাঁর হাঁটতে কোনো অসুবিধা হয়নি। চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন যে আজ সাইফকে সাধারণ খাবার দেওয়া হয়েছে।
এফএইচ