দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে সুন্দর বনে শুটিং হয়েছে। এই ঠান্ডায় রাতে লঞ্চে ঘুমাতাম, খুব ঠাণ্ডা লাগত। তবে ঠান্ডার চেয়েও সেখানে ভয়ের বিষয় ছিল কুমির। কারণ লঞ্চ যেখানে নোঙর করা ছিল, সেখানে ছিল কুমিরটা। সকালে জানালা দিয়ে মুখ বের করলেই কুমির এবং আরও বিভিন্ন পশু-পাখি দেখা যেত। লঞ্চ থেকে শ্যুটিং স্পটে যেতের ছোট ছোট ট্রলারে। রাতেও শুটিং করতে হতো।
এভাবেই শুটিং চলাকালীন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ‘ফেউ’ সিরিজে চঞ্চল চৌধুরী অভিনয় করেছেন সুনীল চরিত্রে। সুনীল একজন আলোকচিত্রী। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ‘ফেউ’-এ কাজ করা প্রসঙ্গে নানান অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন চঞ্চল। এক ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত এই সিরিজটি। সেই ঘটনাগুলোর অনেক তথ্য সুনীল তার ক্যামেরায় ধরে রাখেন বলে জানান অভিনেতা।
ইতোমধ্যে সিরিজটির টিজার প্রকাশ্যে আসতেই আলোচনায় এই অভিনেতা। সেখানকার একটি সংলাপে শোনা যায়, 'ও সুনীল দা, ফেউ কারা?' প্রত্যুত্তরাটা এমন—, 'এজেন্ট। সরকারি গোয়েন্দা–গে এজেন্ট কয়।'
আগামী ২৯ জানুয়ারি মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত সিরিজ ‘ফেউ’।
চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও সিরিজটিতে আরও থাকছেন তারিক আনাম খান, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, তানভীর অপূর্ব, হোসেন জীবন, তাহমিনা অথৈ, রিজভি রিজু, ফাদার জোয়া, বাবলু বোস ও এ কে আজাদ সেতু।
১৯৭৯ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ পরগনা জেলার দ্বীপ মরিচঝাঁপিতে ঘটে যাওয়া গণহত্যার ছায়া অবলম্বনে ‘ফেউ’ নির্মিত হলেও সিরিজটি ফিকশনাল। এর গল্প লিখেছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান, রোমেল রহমান এবং চিত্রনাট্য করেছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান, সিদ্দিক আহমেদ। ইতিহাসের সঙ্গে নিজের দেখা চরিত্র, নিজের জানা ঘটনা, নিজের অঞ্চলের গল্প সিরিজে তুলে ধরা হয়েছে।
এফএইচ/