দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনকে এক নজর দেখতে ‘পুষ্পা ২’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে এসেছিলেন রেবতী নামে নারী। ভারতের হায়দারাবাদে থিয়েটারে ভিড়ের চাপে তার মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত হয় তার সন্তান। এ ঘটনায় সিনেমা হলের মালিক, আল্লু অর্জুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
এ মামলায় শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে গ্রেপ্তার করা হয় আল্লু অর্জুনকে। এরপর দিনভর চলে থানা-আদালত নিয়ে টানাহেঁচড়া। অবশেষে নায়ককে অন্তর্বর্তী জামিন দেন তেলঙ্গানা হাইকোর্ট; ৫০ হাজার টাকার বন্ডে আল্লু অর্জুনের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে গ্রেপ্তারের পর পরই আল্লুর বিরুদ্ধে ১৪ দিনের জন্য হাজতবাস লিখে রেখেছিলেন নিম্ন আদালত। সেই রায় খারিজ করে উচ্চ আদালত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন; তাও আবার গ্রেপ্তারের কয়েকঘণ্টার মধ্যে। কিন্তু কিছু আইনি প্রক্রিয়া অসম্পন্ন থাকায় সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশি হেফাজত থেকে বের হতে পারেননি আল্লু আর্জুন, শুক্রবার রাতেই তাকে কাটাতে হয়েছে কারাবাসে।
এক সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবর, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জামিনের অর্ডার এখনও হাতে পৌঁছায়নি পুলিশের হাতে। অর্থাৎ শনিবার সকালের আগে তিনি জেল থেকে বের হতে পারছেন না, তা স্পষ্ট। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবারেই হাজতবাস থেকে ছাড়া পাবেন আল্লু অর্জুন। তবে তার জন্য প্রথম শ্রেণির সেল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আর এই খবর ছড়াতেই হায়দরাবাদ কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বাইরে আল্লু অর্জুনের অনুরাগীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে আল্লু অর্জুনের গ্রেপ্তারের পর মৃত রেবতীর স্বামী জানান, আল্লু অর্জুনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিতে চান তিনি। পদদলিত হয়ে তার স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় আল্লুকে দায়ী করতে চান না তিনি। মৃতা রেবতির স্বামী ভাস্কর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ওইদিন সন্ধ্যা সিনেমা হলে গিয়েছিলাম, কারণ আমার ছেলে পুষ্পা সিনেমাটি দেখতে চাচ্ছিল। আল্লু অর্জুন ওইদিন হলে আসার পর যা ঘটেছে, এতে তার কোনো দোষ নেই। আমি মামলা তুলে নিতে প্রস্তুত। আল্লু অর্জুনকে গ্রেপ্তার করা হবে, এমন তথ্য পুলিশ আমাকে জানায়নি। হাসপাতালে বসে আমি টিভিতে খবরটি দেখেছি।’
এফএইচ