দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ইংরেজি বর্ষবরণের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। থার্টিফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ফুটানো হয়। একটানা পটকা ও আতশবাজি ফুটতে থাকে, প্রায় সারা রাত ধরে।
চারিদিক থেকে যখন পটকা-বাজির শব্দ আসতে থাকে শিশু এবং বৃদ্ধদের অবস্থা তখন খুবই খারাপ হয়ে যায়। বয়স্করা বুঝে বলে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে কিন্তু শিশুদের জন্য এটা ভয়াবহ বিষয় হয়ে যায়। এমনকি রাস্তার কুকুর, গাছে ঘুমানো পাখিও ভয়ে ছোটাছুটি করে।
মানুষ ও পশু-পাখির ক্ষতি করা আতশবাজি না ফুটিয়ে থার্টিফার্স্ট উদযাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন জয়া আহসান। নতুন বছর শুরুর আগে দেওয়া এক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তায় ভিডিওতে এই আহ্বান জানান তিনি।
শুরুতেই জয়া বলেন, ‘নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর মুহূর্তটি অবশ্যই আনন্দের। আমরা সবাই আনন্দ প্রকাশ করতে চাই একসঙ্গে। কিন্তু আমাদের এই আনন্দ যেন অন্যের মৃত্যুর কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।’
শুভেচ্ছা জানানোর পাশপাশি কিছু বিষয় নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে অনুরোধও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
জয়া বলেন, ‘নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে আমরা যে আতশবাজি বা পটকা ফাটাই, এটা দয়া করে করবেন না। গত বছর এই আতশবাজির শব্দে কিন্তু শিশু উমায়ের কাঁপতে কাঁপতে মারা যায়। অনেকের বাসায় অসুস্থ মানুষ থাকেন, তারা কষ্ট পান। মনে রাখবেন, পৃথিবী-সমাজ কোনোটাই কিন্তু শুধু মানুষের একার নয়। যারা থার্টিফার্স্ট উদযাপন করতে আতশবাজি বা ফানুশ ওড়াবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, প্লিজ দয়া করে এই কাজটি করবেন না। দয়া করে পরিমিত থাকুন। আপনার নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে কারও জীবন যেন বিপন্ন না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাতের বেলা গাছে ঘুমিয়ে থাকা পাখিরা আতশবাজির বিকট শব্দে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যায়। রাস্তায় ঘুমানো যে পথকুকুর বা বিড়াল; এমনকি আশপাশে যে অসংখ্য বন্যপ্রাণী- প্রচণ্ড ভয়ে তারা ছোটাছুটি করে, অনেকেই মারা যায়।’
এদিকে সম্প্রতি ২০২৩ সালে ওটিটিতে নজরকাড়া পারফর্ম করা নতুন শিল্পীদের তালিকা প্রকাশ করে ভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস। সেই তালিকার শুরুতেই দেখা যায় জয়া আহসানের নাম। নতুন বছরে দুই বাংলা মিলিয়ে বেশ কয়েকটি সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।
আর